حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ يُوسُفَ بْنِ الزُّبَيْرِ مَوْلًى لِآلِ الْزُّبَيْرِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ مِنْ خَثْعَمَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنَّ أَبِي أَدْرَكَهُ الْإِسْلَامُ وَهُوَ شَيْخٌ كَبِيرٌ لَا يَسْتَطِيعُ رُكُوبَ الرَّحْلِ وَالْحَجُّ مَكْتُوبٌ عَلَيْهِ أَفَأَحُجُّ عَنْهُ قَالَ أَنْتَ أَكْبَرُ وَلَدِهِ قَالَ نَعَمْ قَالَ أَرَأَيْتَ لَوْ كَانَ عَلَى أَبِيكَ دَيْنٌ فَقَضَيْتَهُ عَنْهُ أَكَانَ ذَلِكَ يُجْزِئُ عَنْهُ قَالَ نَعَمْ قَالَ فَاحْجُجْ عَنْهُ
১৮৭৩. আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খাছ’আম গোত্রের এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললো, ইসলাম আমার পিতার নিকট (এর ফরয হাক্ক সহ) পৌঁছে গেছে। আমার পিতা অতি বৃদ্ধ মানুষ। তিনি বাহনে আরোহন করতে সক্ষম নন। আর তার উপর হাজ্জ ফরয হয়েছে। এমতাবস্থায় আমি কি আমার পিতার পক্ষ থেকে হজ্জ করতে পারি?

তিনি বলেনঃ “তুমি কি তার সবচেয়ে বড়সন্তান?“ সে বললো: হাঁ। তিনি বললেন: “আচ্ছা, তোমার পিতার দায়িত্বে কোন ঋণ থাকতো, আর তুমি যদি তা পরিশোধ করতে, তবে সেটি তার পক্ষ হতে আদায় হয়ে যেতো কি-না?“ সে বললো, হাঁ। তিনি বললেন: “অতএব, তুমি তোমার পিতার পক্ষ থেকে হজ্জ করো।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, মুহাম্মদ ইবনু হুমাইদের যঈফ হওয়ার কারণে। তবে এ বর্ণনায় তিনি একাকী নন; বরং এর অনেকগুলি মুতাবি’আত বর্ণনা রয়েছে নির্ভরযোগ্য/বিশ্বস্ত রাবীগণ হতে। ((ফলে এটি হাসান পর্যায়ের উন্নীত হয়।–অনুবাদক))

তাখরীজ: আবূ ইয়ালা মাউসিলী নং ৬৮১৩; বাইহাকী, হাজ্জ ৪/৩২৯; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ৩/২২১ জাইয়্যেদ সনদে। ((নাসাঈ, হাজ্জ, ৫/১১৭-১১৮; আহমাদ ৫/৪।- ফাওয়ায আহমেদের দারেমী হা/১৮৩৬ এর টীকা হতে।– অনুবাদক))

এর তাখরীজ দিয়েছি আমরা মুসনাদুল মাউসিলী তে। এছাড়া, ইবনু আবী শাইবা ১/৪/৪৪১।

সুনান আদ-দারিমী (1873)