حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا قَيْسُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ طَارِقٍ عَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ حَجَّ وَهُوَ مُنِيخٌ بِالْبَطْحَاءِ فَقَالَ لِي أَحَجَجْتَ قُلْتُ نَعَمْ قَالَ كَيْفَ أَهْلَلْتَ قَالَ قُلْتُ لَبَّيْكَ بِإِهْلَالٍ كَإِهْلَالِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَحْسَنْتَ اذْهَبْ فَطُفْ بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ حِلَّ قَالَ فَطُفْتُ بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ أَتَيْتُ امْرَأَةً مِنْ نِسَاءِ بَنِي قَيْسٍ فَجَعَلَتْ تَفْلِي رَأْسِي فَجَعَلْتُ أُفْتِي النَّاسَ بِذَلِكَ فَقَالَ لِي رَجُلٌ يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ قَيْسٍ رُوَيْدًا بَعْضَ فُتْيَاكَ فَإِنَّكَ لَا تَدْرِي مَا أَحْدَثَ أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ فِي النُّسُكِ بَعْدَكَ فَقُلْتُ يَا أَيُّهَا النَّاسُ مَنْ كُنَّا أَفْتَيْنَاهُ فُتْيَا فَلْيَتَّئِدْ فَإِنَّ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ قَادِمٌ عَلَيْكُمْ فَبِهِ فَأْتَمُّوا فَلَمَّا قَدِمَ أَتَيْتُهُ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ إِنْ نَأْخُذْ بِكِتَابِ اللَّهِ فَإِنَّ كِتَابَ اللَّهِ يَأْمُرُ بِالتَّمَامِ وَإِنْ نَأْخُذْ بِسُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ يَحِلَّ حَتَّى بَلَغَ الْهَدْيُ مَحِلَّهُ
১৮৫২. আবু মূসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বাতহা নামক স্থানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট গেলাম। তিনি বললেনঃ হজ্জ সমাধা করেছ? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেনঃ কিভাবে ইহরাম বেঁধেছিলে? আমি বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মত ইহরাম বেঁধে আমি তালবিয়া পাঠ করেছি। তিনি বললেনঃ ভালই করেছ। যাও বায়তুল্লাহর তাওয়াফ কর এবং সাফা-মারওয়ার সা’য়ী কর। এরপর হালাল হয়ে যাও। তখন আমি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করলাম এবং সাফা-মারওয়ায় সা’য়ী করলাম। এরপর আমি বনূ কায়স গোত্রের এক মহিলার নিকট এলাম। তিনি আমার মাথার উকুন বেছে দিলেন।
(তখন থেকে উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুএর খিলাফরকাল পর্যন্ত) এ ভাবেই আমি লোকদের (হজ্জ এবং ‘উমরা সম্পর্কে) ফতোয়া দিয়ে চললাম। (উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর খিলাফাতকালে হাজ্জ মৌসুমে) এক ব্যক্তি এসে আমাকে বললো: “হে আব্দুল্লাহ ইবনু কাইস! আপনার কিছু ফাতওয়া আপাতত স্থগিত রাখুন। কেননা, আমীরুল মুমিনীন (উমার) আপনার পরে হজ্জের ব্যাপারে যে নতুন বিধান প্রবর্তন করেছেন, তা হয়তো আপনি জানেন না। তখন আমি বললাম: হে লোক সকল! আমি যাকে কোন ব্যাপারে ফতোয়া দিয়েছি সে যেন তাড়াহুড়া না করে। কেননা তোমাদের নিকট আমীরুল মুমিনীন শীঘ্রই আসছেন, সুতরাং তোমরা তাঁরই অনুসরণ কর। যখন তিনি আগমন করলেন, তখন আমি তাঁর নিকট গিয়ে বিষয়টি তাঁর সাথে আলোচনা করলাম। তখন তিনি বললেনঃ আমরা যদি আল্লাহর কিতাবকে অনুসরণ করি, তাহলে আল্লাহর কিতাব তো আমাদেরপূর্ণ করার নির্দেশ দেয়। আর যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাতের অনুসরণ করি তাহলে তো (দেখি যে), রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর জানোয়ার হালাল হওয়ার স্থানে পৌছার আগে হালাল হননি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ, ১৫৫৭; মুসলিম, হাজ্জ ১২২১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭২৭৮ তে। সেখানে টীকাটি দেখুন
(তখন থেকে উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুএর খিলাফরকাল পর্যন্ত) এ ভাবেই আমি লোকদের (হজ্জ এবং ‘উমরা সম্পর্কে) ফতোয়া দিয়ে চললাম। (উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর খিলাফাতকালে হাজ্জ মৌসুমে) এক ব্যক্তি এসে আমাকে বললো: “হে আব্দুল্লাহ ইবনু কাইস! আপনার কিছু ফাতওয়া আপাতত স্থগিত রাখুন। কেননা, আমীরুল মুমিনীন (উমার) আপনার পরে হজ্জের ব্যাপারে যে নতুন বিধান প্রবর্তন করেছেন, তা হয়তো আপনি জানেন না। তখন আমি বললাম: হে লোক সকল! আমি যাকে কোন ব্যাপারে ফতোয়া দিয়েছি সে যেন তাড়াহুড়া না করে। কেননা তোমাদের নিকট আমীরুল মুমিনীন শীঘ্রই আসছেন, সুতরাং তোমরা তাঁরই অনুসরণ কর। যখন তিনি আগমন করলেন, তখন আমি তাঁর নিকট গিয়ে বিষয়টি তাঁর সাথে আলোচনা করলাম। তখন তিনি বললেনঃ আমরা যদি আল্লাহর কিতাবকে অনুসরণ করি, তাহলে আল্লাহর কিতাব তো আমাদেরপূর্ণ করার নির্দেশ দেয়। আর যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাতের অনুসরণ করি তাহলে তো (দেখি যে), রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর জানোয়ার হালাল হওয়ার স্থানে পৌছার আগে হালাল হননি।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ, ১৫৫৭; মুসলিম, হাজ্জ ১২২১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭২৭৮ তে। সেখানে টীকাটি দেখুন
সুনান আদ-দারিমী (1852)