أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ أَخْبَرَنَا أَبُو هِلَالٍ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ مُطَرِّفٍ قَالَ قَالَ عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ إِنِّي مُحَدِّثُكَ بِحَدِيثٍ لَعَلَّ اللَّهَ أَنْ يَنْفَعَكَ بِهِ بَعْدُ إِنَّهُ كَانَ يُسَلَّمُ عَلَيَّ وَإِنَّ ابْنَ زِيَادٍ أَمَرَنِي فَاكْتَوَيْتُ فَاحْتُبِسَ عَنِّي حَتَّى ذَهَبَ أَثَرُ الْمَكَاوِي وَاعْلَمْ أَنَّ الْمُتْعَةَ حَلَالٌ فِي كِتَابِ اللَّهِ لَمْ يَنْهَ عَنْهَا نَبِيٌّ وَلَمْ يَنْزِلْ فِيهَا كِتَابٌ قَالَ رَجُلٌ بِرَأْيِهِ مَا بَدَا لَهُ
১৮৫০. ইমরান ইবনু হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি তোমাদেরকে একটি হাদীস বর্ণনা করবো, সম্ভবত: পরবর্তীতে আল্লাহ এর মাধ্যমে তোমাদের উপকার করবেন। আর ইবনু যিয়াদের পরামর্শ অনুযায়ী আমি যখন দাগ লাগালাম, তখন দাগ লাগানোর চিহ্ন দূরীভূত না হওয়া পর্যন্ত আমার প্রতি[1] (ফিরিশতাগণের সালাম) বন্ধ হয়ে যায়। যাহোক, তোমরা জেনে রাখো, (হাজ্জে) তামাত্তু আল্লাহর কিতাবে হালাল করা হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ইন্তিকাল পর্যন্ত) তা থেকে নিষেধ করেননি এবং একে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কুরআনের কোন আয়াতও নাযিল হয়নি। এখন (অমুক) লোক তার নিজস্ব অভিমত অনুযায়ী কথা বলে, যা সে (নিষিদ্ধ) মনে করে।[2]

[1] (মুহাকিক্বের টীকা:) ফিরিশতাগণ তাঁর প্রতি সালাম দেন। ইমাম নববী তার শারহে মুসলিম ৩/৩৬৫ এ এ হাদীসের ব্যাখ্যায় বলেন: “এ হাদীসের অর্থ: ইমরাণ ইবনু হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু অর্শ রোগী ছিলেন। তিনি এ কষ্টে সবর করতেন, ফলে ফিরিশতা গণ তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ করতেন। কিন্তু যখন তিনি আগুনের দাগা লাগান, তারপর তাঁর প্রতি ফিরিশতাগণের সালাম বন্ধ হয়ে যায়। এরপর যখন তিনি দাগ গ্রহণ পরিত্যাগ করেন, তখন ফিরিশতাগণ পুনরায় তাঁর প্রতি সালাম দেন।“

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান, আবী হিলাল আর রাসিবী’র কারণে। তবে, হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, হাজ্জ ১৫৭১, তাফসীর ৪৫১৮; মুসলিম, হাজ্জ ১২২৬; এছাড়া, আহমাদ ৪/৪২৮, ৪৩৬।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৯৩৭, ৩৯৩৮ তে।

সুনান আদ-দারিমী (1850)