أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا ذَرَعَ الصَّائِمَ الْقَيْءُ وَهُوَ لَا يُرِيدُهُ فَلَا قَضَاءَ عَلَيْهِ وَإِذَا اسْتَقَاءَ فَعَلَيْهِ الْقَضَاءُ قَالَ عِيسَى زَعَمَ أَهْلُ الْبَصْرَةِ أَنَّ هِشَامًا أَوْهَمَ فِيهِ فَمَوْضِعُ الْخِلَافِ هَا هُنَا
১৭৬৬. আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি রোযা থাকাবস্থায় অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করে তার জন্য কাযা আদায় করা জরুরী নয়। অবশ্য যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে তবে তার জন্য কাযা আদায় জরুরী।“[1]
’ঈসা বলেন: বছরাবাসীর ধারণা, হিশাম এ ব্যাপারে ভূল করেছেন। আর এটি মতভেদেরই স্থান।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ও এর শাহিদ হাদীস হাদীস উল্লেখ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী ৬৬০৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫১৮ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৯০৭ তে। এছাড়াও, এখানে সংযোজন করছি: ইবনুল জারুদ, আল মুনতাক্বা নং ৩৮৫; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৬/১৭৫।
((আবূ দাউদ, সওম ২৩৮০; তিরমিযী, সওম ৭২০; ইবনু মাজাহ, সিয়াম ১৬৭৬; আহমাদ ২/৪৯৮; তায়ালিসী নং ৯৯৩; দারুকুতনী, সিয়াম ২১, ২২, ২৫।- ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী হা/১৭২৯ তথা অত্র হাদীসের টীকা হতে।–অনুবাদক))
’ঈসা বলেন: বছরাবাসীর ধারণা, হিশাম এ ব্যাপারে ভূল করেছেন। আর এটি মতভেদেরই স্থান।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ও এর শাহিদ হাদীস হাদীস উল্লেখ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী ৬৬০৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫১৮ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৯০৭ তে। এছাড়াও, এখানে সংযোজন করছি: ইবনুল জারুদ, আল মুনতাক্বা নং ৩৮৫; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৬/১৭৫।
((আবূ দাউদ, সওম ২৩৮০; তিরমিযী, সওম ৭২০; ইবনু মাজাহ, সিয়াম ১৬৭৬; আহমাদ ২/৪৯৮; তায়ালিসী নং ৯৯৩; দারুকুতনী, সিয়াম ২১, ২২, ২৫।- ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী হা/১৭২৯ তথা অত্র হাদীসের টীকা হতে।–অনুবাদক))
সুনান আদ-দারিমী (1766)