حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ شُرَحْبِيلَ حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ حَفْصَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ لَمْ يُبَيِّتْ الصِّيَامَ قَبْلَ الْفَجْرِ فَلَا صِيَامَ لَهُ قَالَ عَبْد اللَّهِ فِي فَرْضِ الْوَاجِبِ أَقُولُ بِهِ
১৭৩৫. হাফসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্নিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ ফজরের পূর্বেই যে ব্যক্তি সিয়ামের সিদ্ধান্ত না নেয় তার সিয়ামই নেই।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শক্তিশালী।
তাখরীজ: নাসাঈ, সিয়াম ৪/১৯৬; ইবনু আবী শাইবা ৩/৩১ শক্তিশালী সনদে; ইবনু মাজাহ, সিয়াম ১৭০০; দারুকুতনী ২/১৭২; তিরমিযী, সিয়াম ৭৩০; বাইহাকী, সিয়াম ৪/২০২; ২২১; আবূ দাউদ, সওম ২৪৫৪; ইবনু খুযাইমা, আস সহীহ নং ১৯৩৩; খতীব, তারীখ বাগদাদ ৩/৯২-৯৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ১৭৪৪; আহমাদ ৬/২৮৭।… আরে দেখুন, তালখীসুল হাবীর ২/১৮৮-১৮৯; নাসবুর রায়াহ ২/৪৩৩-৪৩৪; মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার ৬/২২৭-২২৮; নাইলুল আওতার ৪/২৬৯-২৭০।
((এরপর মুহাক্বিক্ব এ সনদের রাবীদের সম্পর্কে বিভিন্ন মুহাদ্দিসের বক্তব্য ও মতভেদ উল্লেখ করেছেন এবং যারা বলেছেন এটি মাওকুফ (হাফসার বক্তব্য) হওয়া সহীহ, মারফু’ হিসেবে যঈফ, যেমন নাসাঈ, তিরমিযী, আবূ দাউদ, দারুকুতনী, আব্দুর রাযযাক প্রমুখ এবং যারা একে মারফু’ হিসেবে সহীহ বলেছেন যেমন ইবনু হাযম, বাইহাকী, খাত্তাবী প্রমুখ- এ উভয় দলের মতামত উল্লেখ করেছেন।– অনুবাদক))
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ শক্তিশালী।
তাখরীজ: নাসাঈ, সিয়াম ৪/১৯৬; ইবনু আবী শাইবা ৩/৩১ শক্তিশালী সনদে; ইবনু মাজাহ, সিয়াম ১৭০০; দারুকুতনী ২/১৭২; তিরমিযী, সিয়াম ৭৩০; বাইহাকী, সিয়াম ৪/২০২; ২২১; আবূ দাউদ, সওম ২৪৫৪; ইবনু খুযাইমা, আস সহীহ নং ১৯৩৩; খতীব, তারীখ বাগদাদ ৩/৯২-৯৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ১৭৪৪; আহমাদ ৬/২৮৭।… আরে দেখুন, তালখীসুল হাবীর ২/১৮৮-১৮৯; নাসবুর রায়াহ ২/৪৩৩-৪৩৪; মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার ৬/২২৭-২২৮; নাইলুল আওতার ৪/২৬৯-২৭০।
((এরপর মুহাক্বিক্ব এ সনদের রাবীদের সম্পর্কে বিভিন্ন মুহাদ্দিসের বক্তব্য ও মতভেদ উল্লেখ করেছেন এবং যারা বলেছেন এটি মাওকুফ (হাফসার বক্তব্য) হওয়া সহীহ, মারফু’ হিসেবে যঈফ, যেমন নাসাঈ, তিরমিযী, আবূ দাউদ, দারুকুতনী, আব্দুর রাযযাক প্রমুখ এবং যারা একে মারফু’ হিসেবে সহীহ বলেছেন যেমন ইবনু হাযম, বাইহাকী, খাত্তাবী প্রমুখ- এ উভয় দলের মতামত উল্লেখ করেছেন।– অনুবাদক))
সুনান আদ-দারিমী (1735)