أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ صِلَةَ بْنِ زُفَرَ قَالَ كُنَّا عِنْدَ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ فَأُتِيَ بِشَاةٍ مَصْلِيَّةٍ فَقَالَ كُلُوا فَتَنَحَّى بَعْضُ الْقَوْمِ فَقَالَ إِنِّي صَائِمٌ فَقَالَ عَمَّارُ بْنُ يَاسِرٍ مَنْ صَامَ الْيَوْمَ الَّذِي يُشَكُّ فِيهِ فَقَدْ عَصَى أَبَا الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
১৭১৯. সিলা (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা আম্মার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু- এর নিকট ছিলাম। সেখানে একটি ভুনা ছাগল পেশ করা হলে তিনি বললেন: তোমরা খাও। সেখানকার কোনো এক লোক (রোযা থাকার কারণে) তা খাওয়া হতে বিরত রইলো। সে বললো, আমি রোযাদার। তখন আম্মার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, যে ব্যক্তি এ সন্দেহপূর্ণ দিবসে রোযা রাখলো, সে তো আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাফরমানী করেছে।[1]
[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ যঈফ; আমর ইবনু ক্বাইস আবী ইসহাক সাবিঈ হতে কিছু শ্রবন করা হতে পিছিয়ে। তবে হাদীসটি সহীহ লি গায়রিহী।
তাখরীজ: ইবনু হিব্বান নং ৩৫৯৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু zwj;হিব্বান নং ৩৫৮৫, ৩৫৯৫, ৩৫৯৬; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৮৭৮ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৬৪৪ তে। (বুখারী, সিয়াম, তা’লিক হিসেবে বাব: ১১; আবূ দাউদ, সিয়াম ২৩৩৪; তিরমিযী, সওম, ৬৮৬; নাসাঈ, সওম বাব; ৩৭; ইবনু মাজাহ, সিয়াম ১৬৪৫; দারুকুতনী, সিয়াম ৫।-- ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী নং ১৬৮২ এর টীকা হতে।–অনুবাদক)
[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ যঈফ; আমর ইবনু ক্বাইস আবী ইসহাক সাবিঈ হতে কিছু শ্রবন করা হতে পিছিয়ে। তবে হাদীসটি সহীহ লি গায়রিহী।
তাখরীজ: ইবনু হিব্বান নং ৩৫৯৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু zwj;হিব্বান নং ৩৫৮৫, ৩৫৯৫, ৩৫৯৬; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৮৭৮ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৬৪৪ তে। (বুখারী, সিয়াম, তা’লিক হিসেবে বাব: ১১; আবূ দাউদ, সিয়াম ২৩৩৪; তিরমিযী, সওম, ৬৮৬; নাসাঈ, সওম বাব; ৩৭; ইবনু মাজাহ, সিয়াম ১৬৪৫; দারুকুতনী, সিয়াম ৫।-- ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী নং ১৬৮২ এর টীকা হতে।–অনুবাদক)
সুনান আদ-দারিমী (1719)