أَخْبَرَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ حَدَّثَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدَّهِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ فِي كُلِّ إِبِلٍ سَائِمَةٍ فِي كُلِّ أَرْبَعِينَ بِنْتُ لَبُونٍ لَا تُفَرَّقُ إِبِلٌ عَنْ حِسَابِهَا مَنْ أَعْطَاهَا مُؤْتَجِرًا بِهَا فَلَهُ أَجْرُهَا وَمَنْ مَنَعَهَا فَإِنَّا آخِذُوهَا وَشَطْرَ إِبِلِهِ عَزْمَةٌ مِنْ عَزَمَاتِ اللَّهِ لَا يَحِلُّ لِآلِ مُحَمَّدٍ مِنْهَا شَيْءٌ
১৭১৪. বাহয ইবন হাকীম (র)-এর পিতার সূত্রে তাঁর দাদা থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম -কে বলতে শুনেছি: “প্রত্যেক বিচরণকারী উটের যাকাত হল প্রত্যেক চল্লিশে একটি ‘ইবনাতুল লাবুন’ (তিন বছর বয়সী উটনী) । উটের হিসাব থেকে কোন উটকে বাদ দেওয়া হবে না । যে ব্যক্তি সওয়াবের নিয়্যাতে তা দান করবে তার জন্য তার সওয়াব রয়েছে। আর যে ব্যক্তি তা দেওয়া হতে বিরত থাকবে, তবে নিশ্চয়েই আমরা তার থেকে তা উসূল করে নেব, আর তার সাথে আরো অর্ধেক উট নিয়ে নেব আল্লাহ প্রদত্ত আবশ্যিক বিধানসমূহ থেকে একটি বিধান । মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর বংশধরদের জন্য এর সামান্য পরিমাণও হালাল হবে না।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।

তাখরীজ: তাবারাণী, আল কাবীর ১৯/৪১১ নং ৯৮৮; আবূ দাউদ, যাকাত ১৫৭৫; আহমাদ ৫/২, ৪; নাসাঈ, যাকাত ৫/১৫-১৬; ইবনুল জারুদ নং ৩৪১; আব্দুর রাযযাক ৬৮২৪; ইবনু আবী শাইবা, ২/১২২; ইবনু খুযাইমা নং ২২৬৬; বাইহাকী, যাকাত ৪/১১৬; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ২/৯, ৩/৯৭; হাকিম ১/৩৯৮।

সুনান আদ-দারিমী (1714)