أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَعُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّ حَكِيمَ بْنَ حِزَامٍ قَالَ سَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَعْطَانِي ثُمَّ سَأَلْتُهُ فَأَعْطَانِي ثُمَّ سَأَلْتُهُ فَأَعْطَانِي ثُمَّ سَأَلْتُهُ فَقَالَ يَا حَكِيمُ إِنَّ هَذَا الْمَالَ خَضِرٌ حُلْوٌ فَمَنْ أَخَذَهُ بِسَخَاوَةِ نَفْسٍ بُورِكَ لَهُ فِيهِ وَمَنْ أَخَذَهُ بِإِشْرَافِ نَفْسٍ لَمْ يُبَارَكْ لَهُ فِيهِ وَكَانَ كَالَّذِي يَأْكُلُ وَلَا يَشْبَعُ
১৬৮৭. হাকীম ইবনু হিযাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আমি একবার রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম –এর কাছে কিছু (সাহায্য) চাইলে তিনি আমাকে দান করলেন। এরপর আমি তাঁর কাছে পুনরায় চাইলে তিনি আমাকে কিছু দান (সাহায্য) করলেন। এরপর আমি তাঁর কাছে পুনরায় চাইলে তিনি এবারও আমাকে কিছু দান (সাহায্য) করলেন। এরপর পুনরায় চাইলাম, তখন তিনি বললেন, হে হাকীম! এ সমস্ত ধন- সম্পদ সবুজ-শ্যামল ও সুমিষ্ট। ফলে যে ব্যক্তি সেগুলো লোভ-লালসামুক্ত মন নিয়ে গ্রহণ করে, তার জন্য তাতে বরকত দেয়া হয়। আর যে ব্যক্তি তা লোভাতুর অন্তরে গ্রহণ করে, তার জন্য তাতে বরকত দেয়া হয় না। সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় হয়ে যায়, যে আহার করে কিন্তু পরিতৃপ্ত হয় না।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, যাকাত, ১৪৭২; মুসলিম, যাকাত ১০৫৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩২২০, ২৪০২, ২৪০৬ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৬৩ তে। সামনে ২৭৯৩ এ আসছে।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, যাকাত, ১৪৭২; মুসলিম, যাকাত ১০৫৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩২২০, ২৪০২, ২৪০৬ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৬৩ তে। সামনে ২৭৯৩ এ আসছে।
সুনান আদ-দারিমী (1687)