أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ حَكِيمِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ سَأَلَ عَنْ ظَهْرِ غِنًى جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَفِي وَجْهِهِ خُمُوشٌ أَوْ كُدُوحٌ أَوْ خُدُوشٌ قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا الْغِنَى قَالَ خَمْسُونَ دِرْهَمًا أَوْ قِيمَتُهَا مِنْ الذَّهَبِ
১৬৭৭. আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি সচ্ছলতা সত্ত্বেও (মানুষের নিকট) হাত পাতে (সাহায্য প্রার্থনা করে),সে কিয়ামত দিবসে (এই সাহায্য চাওয়ার জন্য) তার মুখমণ্ডলে অসংখ্য জখম, নখের আঁচড় ও ক্ষত চিহ্ন নিয়ে উপস্থিত হবে।“ প্রশ্ন করা হল, হে আল্লাহর রাসূল! সচ্ছলতা (-এর সীমা) কি? তিনি বললেনঃ “পঞ্চাশ দিরহাম বা সমমূল্যের স্বর্ণ।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আমরা এর zwj;পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ও এর শাহিদ হাদীসসমূহ উল্লেখ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫২১৭ তে।

এখানে তার সাথে সংযোজন করছি: ইবনু আবী শাইবা ৩/১৮০; ফাসাওয়ী, মা’রিফাতুত তারীখ ৩/৯৮-৯৯; ইবনু আদী, আল কামিল ২/৬৩৫, ৬৩৭; খতীব, তারীখ বাগদাদ ৩/২০৫; পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।

সুনান আদ-দারিমী (1677)