أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ عَلِيٍّ رَفَعَهُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ عَفَوْتُ عَنْ صَدَقَةِ الْخَيْلِ وَالرَّقِيقِ هَاتُوا صَدَقَةَ الرِّقَةِ مِنْ كُلِّ أَرْبَعِينَ دِرْهَمًا دِرْهَمٌ وَلَيْسَ فِي تِسْعِينَ وَمِائَةٍ شَيْءٌ حَتَّى تَبْلُغَ مِائَتَيْنِ
১৬৬৬. আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি একে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন। তিনি বলেছেন: “ঘোড়া ও গোলামের সাদাকা (যাকাত) আমি ক্ষমা করে দিয়েছি। আর প্রতি চল্লিশ দিরহাম রূপার ক্ষেত্রে এক দিরহাম সাদাকা (যাকাত) আদায় কর। কিন্তু একশত নব্বই দিরহামে কোন সাদাকা নেই। যখন তা দু’ই শত দিরহামে পৌঁছবে তখন তাতে পাঁচ দিরহাম সাদাকা দিতে হবে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ বা উত্তম। আবূ আওয়ানাহ এটি একাকী বর্ণনা করেননি। বরং অনেকেই তার সমর্থক বর্ণনা করেছেন, যেমন: আ’মাশ। তিনি প্রথম জীবনে আবূ ইসহাকের নিকট শ্রবণ করেছেন।

তাখরীজ: আমি এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ও এর শাহিদ হাদীসসমূহ উল্লেখ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৯৯ তে।

সেখানকার সাথে সংযোজন করছি: এটি বর্ণনা করেছেন, বাইহাকী, যাকাত ৪/১১৮; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ১৫৮২; দারুকুতনী ২/১২৬; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ২/২৮; আবু নুয়াইম, আখবারুল আসবাহান ২/২৬৩; তাবারাণী, সগীর ১/২৩২; ইবনু খুযাইমা, আস সহীহ নং ২২৮৪; খতীব, তারীখ বাগদাদ ৭/১৪১, ৩০২ হাসান সনদে।

((আবূ দাউদ, যাকাত ১৫৭৪; তিরমিযী, যাকাত ৬২০; তিরমিযী বলেন: আমি এ হাদীস সম্পর্কে মুহাম্মদ (তথা বুখারী) কে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি বলেছেন, আমার নিকট এ উভয়েই সহীহ।“ নাসাঈ, যাকাত ৫/৩৭; ইবনু মাজাহ, যাকাত ১৭৯০; আহমাদ ১/৯২, ১১৩, ১৩২, ১৪৫, ১৪৬।– ফাওয়ায আহমেদে তাহক্বীক্বকৃত দারেমী নং ১৬২৯ এর টীকা হতে।– অনুবাদক))

সুনান আদ-দারিমী (1665)