أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْأَنْصَارِيُّ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ أَخْبَرَهُ أَنَّ ابْنَ مُحَيْرِيزٍ الْقُرَشِيَّ ثُمَّ الْجُمَحِيَّ أَخْبَرَهُ وَكَانَ يَسْكُنُ بِالشَّامِ وَكَانَ أَدْرَكَ مُعَاوِيَةَ أَنَّ الْمُخْدَجِيَّ رَجُلٌ مِنْ بَنِي كِنَانَةَ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَجُلًا مِنْ أَهْلِ الشَّامِ وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ يُكْنَى أَبَا مُحَمَّدٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ الْوِتْرَ وَاجِبٌ فَرَاحَ الْمُخْدَجِيُّ إِلَى عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ عُبَادَةُ كَذَبَ أَبُو مُحَمَّدٍ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ خَمْسُ صَلَوَاتٍ كَتَبَهُنَّ اللَّهُ عَلَى الْعِبَادِ مَنْ أَتَى بِهِنَّ لَمْ يُضَيِّعْ مِنْ حَقِّهِنَّ شَيْئًا اسْتِخْفَافًا بِحَقِّهِنَّ كَانَ لَهُ عِنْدَ اللَّهِ عَهْدٌ أَنْ يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ وَمَنْ لَمْ يَأْتِ بِهِنَّ جَاءَ وَلَيْسَ لَهُ عِنْدَ اللَّهِ عَهْدٌ إِنْ شَاءَ عَذَّبَهُ وَإِنْ شَاءَ أَدْخَلَهُ الْجَنَّةَ
১৬১৫. জুমাহী - যিনি শামে বসবাস করতেন এবং মুওয়াবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র সাক্ষাত লাভ করেছিলেন- তিনি বর্ণনা করেন যে, বনী কিনানা’র অপরিণত অবস্থায় জন্ম গ্রহণকারী এক ব্যক্তি তার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, শামে আবূ zwj;মুহাম্মদ নামে এক লোক ছিল। তিনি তার সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন। (একদা) সেই লোকটি তাকে জানাল যে, বিতর (সালাত) ওয়াজিব। অপরিণত অবস্থায় জন্ম গ্রহণকারী লোকটি ‘উবাদাহ ইবনুস সামিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট চলে গেলেন এবং তাঁর নিকট এ বিষয়টি উত্থাপন করলেন। তখন উবাদা রা: বলেন, আবূ মুহাম্মদ মিথ্যা (ভূল) বলেছে। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি: “আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। যে ব্যক্তি সালাতের কোন হককে গুরুত্বহীন বিবেচনা করে নষ্ট না করে তা যথাযথভাবে আদায় করবে, নিশ্চয় তার জন্য আল্লাহর নিকট অঙ্গীকার হলো, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আর যে ব্যক্তি তা (সালাতের হক নষ্ট করবে কিংবা যথাযথভাবে সালাত) আদায় করবে না, তার জন্য আল্লাহর নিকট কোন অঙ্গীকার নেই। তিনি ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিবেন, আর ইচ্ছা করলে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ও টীকা সংযোজন করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭৩১, ১৭৩২, ২৭১৪ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৫২, ২৫৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৯১ তে। এছাড়াও: তায়ালিসী ১/৬৬-৬৭ নং ২৫৪; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ৩/১৪৩-১৪৪ নং ৩১৪০।
((আবু দাউদ, বিতর ১৪২০; নাসাঈ, সালাত বাব:৬; ইবনু মাজাহ, ইকামাতিস সালাত ১৪০১; আহমাদ ৪/২৪২ ও ৫/৩১৫, ৩১৯, ৩২২; হাকিম ও ইবনু হিব্বান- ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত সুনানে দারেমী হা/১৫৭৭ এর টীকা হতে-অনুবাদক))
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ও টীকা সংযোজন করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭৩১, ১৭৩২, ২৭১৪ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৫২, ২৫৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৯১ তে। এছাড়াও: তায়ালিসী ১/৬৬-৬৭ নং ২৫৪; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ৩/১৪৩-১৪৪ নং ৩১৪০।
((আবু দাউদ, বিতর ১৪২০; নাসাঈ, সালাত বাব:৬; ইবনু মাজাহ, ইকামাতিস সালাত ১৪০১; আহমাদ ৪/২৪২ ও ৫/৩১৫, ৩১৯, ৩২২; হাকিম ও ইবনু হিব্বান- ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত সুনানে দারেমী হা/১৫৭৭ এর টীকা হতে-অনুবাদক))
সুনান আদ-দারিমী (1615)