أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا صَدَقَةُ هُوَ ابْنُ خَالِدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ الْحَارِثِ عَنْ أَبِي الْأَشْعَثِ الصَّنْعَانِيِّ يَرُدُّهُ إِلَى أَوْسِ بْنِ أَوْسٍ يَرُدُّهُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ غَسَّلَ وَاغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ ثُمَّ غَدَا وَابْتَكَرَ ثُمَّ جَلَسَ قَرِيبًا مِنْ الْإِمَامِ وَأَنْصَتَ وَلَمْ يَلْغُ حَتَّى يَنْصَرِفَ الْإِمَامُ كَانَ لَهُ بِكُلِّ خُطْوَةٍ يَخْطُوهَا كَعَمَلِ سَنَةٍ صِيَامِهَا وَقِيَامِهَا
১৫৮৫. আওস (রাঃ)হতে বর্ণিত, তিনি এটিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিকে সম্পৃক্ত করেছেন, তিনি বলেছেন: “যে ব্যক্তি জুমুআর দিন উত্তমরূপে (মাথা) ধৌত করবে এবং আগে আগে গোসল করবে, অতঃপর সকাল-সকাল মসজিদে গিয়ে ইমামের নিকটবর্তী স্থানে বসবে এবং (খুতবার সময়) চুপ থাকবে এবং ইমামের (খুতবা) শেষ করা পর্যন্ত যাবতীয় অনর্থক কথা (ও কাজ) হতে বিরত থাকবে, তার জন্য প্রতি পদক্ষেপে এক বছরের সিয়াম পালন ও রাত জেগে সালাত আদায়ের সমান সওয়াব রয়েছে।“[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ((আহমাদ ৪/১০৪; আবু দাউদ, তাহারাত ৩৪৫; ইবনু মাজাহ, ইকামাতিস সালাত ১০৮৭; বাগাবী শারহুস সুন্নাহ ১০৬৪, ১০৬৫; হাকিম ১/২৮২; তিরমিযী, সালাত ৪৯৬; নাসাঈ ৩/৯৫-৯৬; ইবনু খুযাইমা ১৭৬৭- আরনাউত্বের তাহক্বীক্বকৃত “আল ইহসান“ এর ২৭৮১ নং হাদীসের টীকা হতে- অনুবাদক)) আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৮১ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৫৫৯ তে।

সুনান আদ-দারিমী (1585)