أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ ابْنِ أَبِي عَمَّارٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَابَيْهِ عَنْ يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ قَالَ قُلْتُ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى أَنْ تَقْصُرُوا مِنْ الصَّلَاةِ إِنْ خِفْتُمْ فَقَدْ أَمِنَ النَّاسُ قَالَ عَجِبْتُ مِمَّا عَجِبْتَ مِنْهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَدَقَةٌ تَصَدَّقَ اللَّهُ بِهَا عَلَيْكُمْ فَاقْبَلُوهَا
১৫৪৩. ইয়া’লা ইবনু উমাইয়া বলেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বললাম, আল্লাহ তা’আলা তো বলেছেন: [“যদি তোমরা আশংকা করো, তবে তোমরা তোমাদের সালাত সমূহ ‘কসর’ করলে এতে তোমাদের কোনো পাপ নেই।“ (সূরা: নিসা: ১০১)] আর এখনতো লোকেরা নিরাপত্তা লাভ করেছে! (ফলে, এখনতো আর সালাত কসর করার প্রয়োজন নেই!)তখন তিনি বললেন: যে ব্যাপারটিতে তুমি বিস্মিত হচ্ছো, আমিও তাতে বিস্মিত হয়েছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “আল্লাহ তা’আলার পক্ষ হতে (এটি) তোমাদের জন্য একটি সাদাকা (বিশেষ দান)। তাই তোমরা সেটি কবুল করো।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৮৬; পূর্ণ তাখরীজের জন্য দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৩৯, ২৭৪০, ২৭৪১। এছাড়াও, ফাসওয়ী, আল মা’রেফাতুত তারীখ ২/২০৫; খতীব, আল মাওদিহ ১/৩০৪; ইবনু আবী শাইবা ২/৪৪৭; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাকা নং ১৪৬; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৪/২৬৬-২৬৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ১০২৪; ইবনুল আ’রাবী, মু’জাম নং ৯৩২; আব্দুর রাযযাক নং ৪২৭৫।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৮৬; পূর্ণ তাখরীজের জন্য দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৩৯, ২৭৪০, ২৭৪১। এছাড়াও, ফাসওয়ী, আল মা’রেফাতুত তারীখ ২/২০৫; খতীব, আল মাওদিহ ১/৩০৪; ইবনু আবী শাইবা ২/৪৪৭; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাকা নং ১৪৬; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৪/২৬৬-২৬৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ১০২৪; ইবনুল আ’রাবী, মু’জাম নং ৯৩২; আব্দুর রাযযাক নং ৪২৭৫।
সুনান আদ-দারিমী (1543)