حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ يَحْيَى عَنْ هِلَالِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ الْحَكَمِ السُّلَمِيِّ قَالَ بَيْنَا أَنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الصَّلَاةِ إِذْ عَطَسَ رَجُلٌ مِنْ الْقَوْمِ فَقُلْتُ يَرْحَمُكَ اللَّهُ قَالَ فَحَدَّقَنِي الْقَوْمُ بِأَبْصَارِهِمْ فَقُلْتُ وَا ثُكْلَاهُ مَا لَكُمْ تَنْظُرُونَ إِلَيَّ قَالَ فَضَرَبَ الْقَوْمُ بِأَيْدِيهِمْ عَلَى أَفْخَاذِهِمْ فَلَمَّا رَأَيْتُهُمْ يُسْكِتُونَنِي قُلْتُ مَا لَكُمْ تُسْكِتُونَنِي لَكِنِّي سَكَتُّ قَالَ فَلَمَّا انْصَرَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَبِأَبِي هُوَ وَأُمِّي مَا رَأَيْتُ مُعَلِّمًا قَبْلَهُ وَلَا بَعْدَهُ أَحْسَنَ تَعْلِيمًا مِنْهُ وَاللَّهِ مَا ضَرَبَنِي وَلَا كَهَرَنِي وَلَا سَبَّنِي وَلَكِنْ قَالَ إِنَّ صَلَاتَنَا هَذِهِ لَا يَصْلُحُ فِيهَا شَيْءٌ مِنْ كَلَامِ النَّاسِ إِنَّمَا هِيَ التَّسْبِيحُ وَالتَّكْبِيرُ وَتِلَاوَةُ الْقُرْآنِ
১৫৪০. মুআবিয়া ইবনুল হাকাম আস-সুলামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর সাথে কোনো একটি সালাত আদায় করেছিলাম। ইত্যবসরে লোকদের মধ্য থেকে একজন হাঁচি দিল। ফলে আমি বললাম, ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’।
তিনি বলেন, তখন লোকেরা আড়চোখে আমার দিকে তাকাতে লাগল। আমি বললাম “আমার মায়ের পুত্র বিয়োগ হোক! তোমরা আমার প্রতি (এভাবে) তাকাচ্ছো কেন? তখন তারা তাদের উরুর উপর হাত চাপড়াতে লাগল। আমি যখন দেখলাম যে, তারা আমাকে চুপ করাতে চাচ্ছে, তখন আমি বললাম, তোমরা আমাকে চুপ করাতে চাচ্ছো কেন? যাহোক, আমি চুপ হয়ে গেলাম। তিনি বলেন, অতঃপর যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত শেষ করলেন, আমার মাতা-পিতা তাঁর জন্য কুরবান হোক! আমি কোনো শিক্ষাদাতাকে তার মতো এত সুন্দর করে শিক্ষা দান করতে পূর্বেও কখনো দেখিনি, তাঁর পরেও কখনো দেখিনি। আল্লাহর কসম! তিনি আমাকে মারলেন না, ধমক দিলেন না, গালিও দিলেন না। বরং তিনি বললেন: “আমাদের এ সালাতে কোনো লোকের কোনো কথাবার্তা বলা ঠিক নয়। বরং তা হচ্ছে- তাসবীহ, তাকবীর ও কুরআন পাঠের জন্য।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, মাসাজিদ ৫৩৭; নাসাঈ, সাহু ৩/১৪-১৮; আবু আউয়ানাহ ২/১৪১; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/৪৪৬; তাবারাণী, আল কাবীর ১৯/৪০১ নং ৯৪৫, ৯৪৭; বাইহাকী, আস সালাত ২/২৪৯; খতীব, ফাকিহ ওয়াল মুতাফাকিহ নং ৯৮২; আহমাদ ৫/৪৪৭, ৪৪৮; ইবনু আবী শাইবা ২/৪৩২; আবু দাউদ, আস সালাত ৯৩০; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ৭২৬; ইবনুল জারুদ নং ২১২; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৩/১৪৯ ও ৪/৪; তায়ালিসী ১/১০৭ নং ৪৮৬; আমরা এটি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৫,২২৪৭, ২২৪৮ তে। আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ১/২৮০, ২৮১।
তিনি বলেন, তখন লোকেরা আড়চোখে আমার দিকে তাকাতে লাগল। আমি বললাম “আমার মায়ের পুত্র বিয়োগ হোক! তোমরা আমার প্রতি (এভাবে) তাকাচ্ছো কেন? তখন তারা তাদের উরুর উপর হাত চাপড়াতে লাগল। আমি যখন দেখলাম যে, তারা আমাকে চুপ করাতে চাচ্ছে, তখন আমি বললাম, তোমরা আমাকে চুপ করাতে চাচ্ছো কেন? যাহোক, আমি চুপ হয়ে গেলাম। তিনি বলেন, অতঃপর যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত শেষ করলেন, আমার মাতা-পিতা তাঁর জন্য কুরবান হোক! আমি কোনো শিক্ষাদাতাকে তার মতো এত সুন্দর করে শিক্ষা দান করতে পূর্বেও কখনো দেখিনি, তাঁর পরেও কখনো দেখিনি। আল্লাহর কসম! তিনি আমাকে মারলেন না, ধমক দিলেন না, গালিও দিলেন না। বরং তিনি বললেন: “আমাদের এ সালাতে কোনো লোকের কোনো কথাবার্তা বলা ঠিক নয়। বরং তা হচ্ছে- তাসবীহ, তাকবীর ও কুরআন পাঠের জন্য।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: মুসলিম, মাসাজিদ ৫৩৭; নাসাঈ, সাহু ৩/১৪-১৮; আবু আউয়ানাহ ২/১৪১; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/৪৪৬; তাবারাণী, আল কাবীর ১৯/৪০১ নং ৯৪৫, ৯৪৭; বাইহাকী, আস সালাত ২/২৪৯; খতীব, ফাকিহ ওয়াল মুতাফাকিহ নং ৯৮২; আহমাদ ৫/৪৪৭, ৪৪৮; ইবনু আবী শাইবা ২/৪৩২; আবু দাউদ, আস সালাত ৯৩০; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ৭২৬; ইবনুল জারুদ নং ২১২; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৩/১৪৯ ও ৪/৪; তায়ালিসী ১/১০৭ নং ৪৮৬; আমরা এটি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৫,২২৪৭, ২২৪৮ তে। আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ১/২৮০, ২৮১।
সুনান আদ-দারিমী (1540)