أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِحْدَى صَلَاتَيْ الْعَشِيِّ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ وَقَامَ إِلَى خَشَبَةٍ مُعْتَرِضَةٍ فِي الْمَسْجِدِ فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَيْهَا قَالَ يَزِيدُ وَأَرَانَا ابْنُ عَوْنٍ وَوَضَعَ كَفَّيْهِ إِحْدَاهُمَا عَلَى ظَهْرِ الْأُخْرَى وَأَدْخَلَ أَصَابِعَهُ الْعُلْيَا فِي السُّفْلَى وَاضِعًا وَقَامَ كَأَنَّهُ غَضْبَانُ قَالَ فَخَرَجَ السَّرَعَانُ مِنْ النَّاسِ وَجَعَلُوا يَقُولُونَ قُصِرَتْ الصَّلَاةُ قُصِرَتْ الصَّلَاةُ وَفِي الْقَوْمِ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ فَلَمْ يَتَكَلَّمَا وَفِي الْقَوْمِ رَجُلٌ طَوِيلُ الْيَدَيْنِ يُسَمَّى ذُو الْيَدَيْنِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنَسِيتَ الصَّلَاةَ أَمْ قُصِرَتْ فَقَالَ مَا نَسِيتُ وَلَا قُصِرَتْ الصَّلَاةُ فَقَالَ أَوَ كَذَلِكَ قَالُوا نَعَمْ قَالَ فَرَجَعَ فَأَتَمَّ مَا بَقِيَ ثُمَّ سَلَّمَ وَكَبَّرَ فَسَجَدَ طَوِيلًا ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ فَكَبَّرَ وَسَجَدَ مِثْلَ مَا سَجَدَ ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ وَانْصَرَفَ
১৫৩৪. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিবাভাগের দুই ওয়াক্ত সালাতের কোন এক সালাত (অর্থাৎ যোহর কিংবা আসরের সালাত) আদায় করলেন। কিন্তু দুই রাকা’আত আদায় করার পরই সালাম ফিরালেন। এরপর তিনি রাগান্বিত মনে মসজিদের মধ্যস্থানে স্থাপিত একটি (খেজুর) কাষ্ঠখণ্ডের উপর ভর দিয়ে দাঁড়ালেন।
ইয়াযীদ (বর্ণনাকারী) বলেন, আমরা ইবনু আউনকে তার দু’ হাতের তালুর একটিকে অপরটির পিঠের উপর স্থাপন করতে দেখলাম। এরপর তিনি সবচেয়ে লম্বা আঙ্গুলটিকে সবচেয়ে নিচু আঙ্গুলটির মধ্যে প্রবেশ করিয়ে রেখে দিলেন।তিনি বলেন, তাড়াহুড়াকারী লোকেরা তো এ কথা বলতে বলতে দ্রুত মসজিদ থেকে বের হয়ে গেলো যে, সালাতকে কমিয়ে দেয়া হয়েছে, সালাতকে কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এই সময় সবার মাঝে আবু বকর ও উমারও ছিলেন। কিন্তু (এই পরিস্থিতিতে) তারা কেউই কোনো কথা বলছিলেন না। অতঃপর যুলইয়াদাইন নামে পরিচিত লম্বা হাত বিশিষ্ট এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি সালাত ভুলে গিয়েছেন- নাকি সালাতকেই কম করে দেয়া হয়েছে?
একথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “আমি ভূলেও যাইনি, আবার সালাতকেও সংক্ষিপ্ত করে দেয়া হয়নি।“ তারপর জিজ্ঞেস করলেন, “ব্যাপারটা কি সেরকমই?“ (সে যা বলছে, তা কি ঠিক?) সবাই জবাব দিলো, হাঁ। (সে যা বলেছে সত্য বলেছে।) তখন তিনি সালাতের বাকী অংশ আদায় করে সালাম ফিরালেন। এর পর তাকবীর বলে লম্বা সিজদা করলেন এবং তাকবীর বলে মাথা উঠালেন। তারপর আবার তাকবীর বলে অনুরূপ সিজদা করলেন এবং তাকবীর বলে মাথা উঠালেন। এরপর তিনি (সালাত) সমাপ্ত করলেন।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, (সালাত) ৪৮২; মুসলিম (মাসাজিদ) ৫৭৩; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ৫৮৬০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৪৯ ও মুসনাদুল হুমাইদী ১০১৩ তে।
ইয়াযীদ (বর্ণনাকারী) বলেন, আমরা ইবনু আউনকে তার দু’ হাতের তালুর একটিকে অপরটির পিঠের উপর স্থাপন করতে দেখলাম। এরপর তিনি সবচেয়ে লম্বা আঙ্গুলটিকে সবচেয়ে নিচু আঙ্গুলটির মধ্যে প্রবেশ করিয়ে রেখে দিলেন।তিনি বলেন, তাড়াহুড়াকারী লোকেরা তো এ কথা বলতে বলতে দ্রুত মসজিদ থেকে বের হয়ে গেলো যে, সালাতকে কমিয়ে দেয়া হয়েছে, সালাতকে কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এই সময় সবার মাঝে আবু বকর ও উমারও ছিলেন। কিন্তু (এই পরিস্থিতিতে) তারা কেউই কোনো কথা বলছিলেন না। অতঃপর যুলইয়াদাইন নামে পরিচিত লম্বা হাত বিশিষ্ট এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি সালাত ভুলে গিয়েছেন- নাকি সালাতকেই কম করে দেয়া হয়েছে?
একথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “আমি ভূলেও যাইনি, আবার সালাতকেও সংক্ষিপ্ত করে দেয়া হয়নি।“ তারপর জিজ্ঞেস করলেন, “ব্যাপারটা কি সেরকমই?“ (সে যা বলছে, তা কি ঠিক?) সবাই জবাব দিলো, হাঁ। (সে যা বলেছে সত্য বলেছে।) তখন তিনি সালাতের বাকী অংশ আদায় করে সালাম ফিরালেন। এর পর তাকবীর বলে লম্বা সিজদা করলেন এবং তাকবীর বলে মাথা উঠালেন। তারপর আবার তাকবীর বলে অনুরূপ সিজদা করলেন এবং তাকবীর বলে মাথা উঠালেন। এরপর তিনি (সালাত) সমাপ্ত করলেন।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী, (সালাত) ৪৮২; মুসলিম (মাসাজিদ) ৫৭৩; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ৫৮৬০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৪৯ ও মুসনাদুল হুমাইদী ১০১৩ তে।
সুনান আদ-দারিমী (1534)