أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ هِلَالِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ رِفَاعَةَ بْنِ عَرَابَةَ الْجُهَنِيِّ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا مَضَى مِنْ اللَّيْلِ نِصْفُهُ أَوْ ثُلُثَاهُ هَبَطَ اللَّهُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا ثُمَّ يَقُولُ لَا أَسْأَلُ عَنْ عِبَادِي غَيْرِي مَنْ ذَا الَّذِي يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ مَنْ ذَا الَّذِي يَسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ مَنْ ذَا الَّذِي يَدْعُونِي فَأَسْتَجِيبَ لَهُ حَتَّى يَطْلُعَ الْفَجْرُ
১৫১৯. রিফা’আহ ইবনু ’উরাবাহ আল জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন রাতের অর্ধেক কিংবা এক-তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত হয়, তখন আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন, এরপর বলতে থাকেন : “আমার বান্দা আমি ব্যতীত আর কারো কাছে চাইবে না। কে আছে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কে আছে আমার কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করবে? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। কে আছে আমার কাছে যাচ্ঞা করবে? আমি তাকে তা দান করব।“ ফজর (সুবহে সাদিক) উদ্ভাসিত না হওয়া পর্যন্ত (এভাবেই চলতে থাকে)।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আহমাদ ৪/১৬; ইবনু মাজাহ(ইক্বামাতুস সালাত) ১৩৬৭; আজুরী, আশ শরীয়াহ পৃ: ২৭৫, ২৭৬; ইবনু খুযাইমা, আত তাওহীদ ১/৩১২; পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী টীকাটি দেখুন।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আহমাদ ৪/১৬; ইবনু মাজাহ(ইক্বামাতুস সালাত) ১৩৬৭; আজুরী, আশ শরীয়াহ পৃ: ২৭৫, ২৭৬; ইবনু খুযাইমা, আত তাওহীদ ১/৩১২; পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী টীকাটি দেখুন।
সুনান আদ-দারিমী (1519)