أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْزِلُ اللَّهُ تَعَالَى إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا كُلَّ لَيْلَةٍ لِنِصْفِ اللَّيْلِ الْآخِرِ أَوْ لِثُلُثِ اللَّيْلِ الْآخِرِ فَيَقُولُ مَنْ ذَا الَّذِي يَدْعُونِي فَأَسْتَجِيبَ لَهُ مَنْ ذَا الَّذِي يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ مَنْ ذَا الَّذِي يَسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ حَتَّى يَطْلُعَ الْفَجْرُ أَوْ يَنْصَرِفَ الْقَارِئُ مِنْ صَلَاةِ الْفَجْرِ
১৫১৬. আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “প্রত্যেক রাতেই শেষ অর্ধেকের সময় কিংবা শেষ এক-তৃতীয়াংশের সময় আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বলতে থাকেন : “কে আছে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কে আছে আমার কাছে যাচ্ঞা করবে, আমি তাকে তা দেব। কে আছে আমার কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করবে? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব।“ ফজর (সুবহে সাদিক) উদ্ভাসিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা ইমাম ফজরের সালাতের কিরা’আত সমাপ্ত না করা পর্যন্ত এভাবেই চলতে থাকে “[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, (তাহাজ্জুদ)১১৪৫; মুসলিম (সালাতুল মুসাফিরীন) ৭৫৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১১৮০, ৫৯৩৬, ৫৯৩৭, ৬১৫৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৯১৯, ৯২০ তে।...
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।
তাখরীজ: বুখারী, (তাহাজ্জুদ)১১৪৫; মুসলিম (সালাতুল মুসাফিরীন) ৭৫৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১১৮০, ৫৯৩৬, ৫৯৩৭, ৬১৫৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৯১৯, ৯২০ তে।...
সুনান আদ-দারিমী (1516)