حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْأَحْوَصِ يُحَدِّثُ عَنْ ابْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ أَبَا ذَرٍّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَزَالُ اللَّهُ مُقْبِلًا عَلَى الْعَبْدِ مَا لَمْ يَلْتَفِتْ فَإِذَا صَرَفَ وَجْهَهُ انْصَرَفَ عَنْهُ
১৪৬০. আবী যারর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “বান্দা সালাতের মধ্যে যতক্ষণ (অন্যদিকে) দৃষ্টিপাত না করে (বা অন্যমনস্ক না হয়), ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তার দিকে লক্ষ্য রাখেন। অপরদিকে যখন সে (অন্যদিকে) দৃষ্টিপাত করে (বা অন্যমনস্ক হয়), তখন আল্লাহও তার দিক থেকে তাঁর দৃষ্টি ফিরিয়ে নেন।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আব্দুল্লাহ ইবনু সালেহ’র যঈফ হওয়ার কারণে। ((তবে এর অনেকগুলো শাহিদ হাদীস থাকার কারণে হাদীসটি সহীহ। একে সহীহ বলেছেন হাকিম ও যাহাবী তা সমর্থন করেছেন-সুনানে দারেমী, তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ফাওয়ায আহমদ নং ১৪২৩ এর টীকা দ্র: -অনুবাদক))
তাখরীজ: আহমাদ ৫/১৭৫; আবু দাউদ ৯১০; নাসাঈ, কুবরা ১১১৮।
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে জাবির, আবী হুরাইরা, আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম, আবী দারদা’আ ও ইবনু মাসউদ রা: হতে যা আমরা মাজমাউয যাওয়াইদ নং ২৪৫২, ২৪৫৩, ২৪৫৪, ২৪৫৫, ২৪৫৭, ২৪৫৯ তে, যা একে শক্তিশালী করে।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, আব্দুল্লাহ ইবনু সালেহ’র যঈফ হওয়ার কারণে। ((তবে এর অনেকগুলো শাহিদ হাদীস থাকার কারণে হাদীসটি সহীহ। একে সহীহ বলেছেন হাকিম ও যাহাবী তা সমর্থন করেছেন-সুনানে দারেমী, তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : ফাওয়ায আহমদ নং ১৪২৩ এর টীকা দ্র: -অনুবাদক))
তাখরীজ: আহমাদ ৫/১৭৫; আবু দাউদ ৯১০; নাসাঈ, কুবরা ১১১৮।
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে জাবির, আবী হুরাইরা, আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম, আবী দারদা’আ ও ইবনু মাসউদ রা: হতে যা আমরা মাজমাউয যাওয়াইদ নং ২৪৫২, ২৪৫৩, ২৪৫৪, ২৪৫৫, ২৪৫৭, ২৪৫৯ তে, যা একে শক্তিশালী করে।
সুনান আদ-দারিমী (1460)