حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو حَدَّثَنَا زَائِدَةُ بْنُ قُدَامَةَ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ كُلَيْبٍ أَخْبَرَنِي أَبِي أَنَّ وَائِلَ بْنَ حُجْرٍ أَخْبَرَهُ قَالَ قُلْتُ لَأَنْظُرَنَّ إِلَى صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَيْفَ يُصَلِّي فَنَظَرْتُ إِلَيْهِ فَقَامَ فَكَبَّرَ فَرَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى حَاذَتَا بِأُذُنَيْهِ وَوَضَعَ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى ظَهْرِ كَفِّهِ الْيُسْرَى قَالَ ثُمَّ لَمَّا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ رَفَعَ يَدَيْهِ مِثْلَهَا وَوَضَعَ يَدَيْهِ عَلَى رُكْبَتَيْهِ ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ فَرَفَعَ يَدَيْهِ مِثْلَهَا ثُمَّ سَجَدَ فَجَعَلَ كَفَّيْهِ بِحِذَاءِ أُذُنَيْهِ ثُمَّ قَعَدَ فَافْتَرَشَ رِجْلَهُ الْيُسْرَى وَوَضَعَ كَفَّهُ الْيُسْرَى عَلَى فَخِذِهِ وَرُكْبَتِهِ الْيُسْرَى وَجَعَلَ مِرْفَقَهُ الْأَيْمَنَ عَلَى فَخْذِهِ الْيُمْنَى ثُمَّ قَبَضَ ثِنْتَيْنِ فَحَلَّقَ حَلْقَةً ثُمَّ رَفَعَ أُصْبُعَهُ فَرَأَيْتُهُ يُحَرِّكُهَا يَدْعُو بِهَا قَالَ ثُمَّ جِئْتُ بَعْدَ ذَلِكَ فِي زَمَانٍ فِيهِ بَرْدٌ فَرَأَيْتُ عَلَى النَّاسِ جُلَّ الثِّيَابِ يُحَرِّكُونَ أَيْدِيَهُمْ مِنْ تَحْتِ الثِّيَابِ
১৩৯৪. ওয়ায়িল ইবনু হুজর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি বললাম, আমি নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত দেখেছি, তিনি কিভাবে সালাত আদায় করতেন। তখন আমি তার দিকে দেখতে লাগলাম, তিনি দাঁড়িয়ে তাকবীর দিয়ে তাঁর উভয় হাত তাঁর কান বরাবর উঠালেন, এরপর ডান হাত বাম হাতে তালুর পিঠের উপর স্থাপন করলেন।
তিনি বলেন, এরপর যখন রুকূ’ করার ইচ্ছা করলেন, তখন আগের মতো দু’হাত উঠালেন ও তাঁর দু’হাত দু’হাঁটুর উপর স্থাপন করলেন। এরপর (রুকূ’ হতে) মাথা উঠানোর সময়ও অনুরূপভাবে দু’হাত উঠালেন। এরপর সাজদা করলেন এবং তাঁর হাত দু’টিকে কান বরাবর রাখলেন। এরপর (রুকূ’ হতে) উঠে বাম পা বিছিয়ে বসলেন ও বামহাতের তালু তার বাম উরু ও হাঁটুর উপর রাখলেন এবং তার ডান কনুই ডান উরুর উপর স্থাপন করলেন। এরপর তিনি কনিষ্ঠ ও অনামিক আঙ্গুল দু’টিকে আবদ্ধ করে রাখেন। এরপর একটি (বৃদ্ধাঙ্গুল ও মধ্যমা অাঙ্গুল দ্বারা) একটি বৃত্তাকার বানান। এরপর (তর্জনী) আঙ্গুল উঠিয়ে রাখেন। আর আমি তাকে সেটা নাড়াতে দেখলাম, যা দিয়ে তিনি দু’আ করছিলেন।এর কিছুদিন পর আমি সেখানে অত্যন্ত ঠাণ্ডার সময় গিয়ে দেখতে পাই যে, লোকেরা তাদের শরীরে কাপড় জড়িয়ে রয়েছেন এবং স্ব-স্ব কাপড়ের নিচ দিয়েই তাদের হাত গুলি নড়াচড়া করছিল।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৬০; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৮৫; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯০৯ এ। ((আবু দাউদ ৭২৭; আহমদ ৪/৩১৮; নাসাঈ ২/১২৬;, ৩/৩৭; বাইহাকী ২/১৩২; ইবনু খুযাইমা ১/২৪৩ নং ৪৮০; দারুকুতনী ১/৯২; তাবারাণী ২২/৩৫... মাওয়ারিদ নং ৪৮৫ এ মুহাক্বিক্বের টীকা হতে।- অনুবাদক))
তিনি বলেন, এরপর যখন রুকূ’ করার ইচ্ছা করলেন, তখন আগের মতো দু’হাত উঠালেন ও তাঁর দু’হাত দু’হাঁটুর উপর স্থাপন করলেন। এরপর (রুকূ’ হতে) মাথা উঠানোর সময়ও অনুরূপভাবে দু’হাত উঠালেন। এরপর সাজদা করলেন এবং তাঁর হাত দু’টিকে কান বরাবর রাখলেন। এরপর (রুকূ’ হতে) উঠে বাম পা বিছিয়ে বসলেন ও বামহাতের তালু তার বাম উরু ও হাঁটুর উপর রাখলেন এবং তার ডান কনুই ডান উরুর উপর স্থাপন করলেন। এরপর তিনি কনিষ্ঠ ও অনামিক আঙ্গুল দু’টিকে আবদ্ধ করে রাখেন। এরপর একটি (বৃদ্ধাঙ্গুল ও মধ্যমা অাঙ্গুল দ্বারা) একটি বৃত্তাকার বানান। এরপর (তর্জনী) আঙ্গুল উঠিয়ে রাখেন। আর আমি তাকে সেটা নাড়াতে দেখলাম, যা দিয়ে তিনি দু’আ করছিলেন।এর কিছুদিন পর আমি সেখানে অত্যন্ত ঠাণ্ডার সময় গিয়ে দেখতে পাই যে, লোকেরা তাদের শরীরে কাপড় জড়িয়ে রয়েছেন এবং স্ব-স্ব কাপড়ের নিচ দিয়েই তাদের হাত গুলি নড়াচড়া করছিল।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৬০; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৮৫; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯০৯ এ। ((আবু দাউদ ৭২৭; আহমদ ৪/৩১৮; নাসাঈ ২/১২৬;, ৩/৩৭; বাইহাকী ২/১৩২; ইবনু খুযাইমা ১/২৪৩ নং ৪৮০; দারুকুতনী ১/৯২; তাবারাণী ২২/৩৫... মাওয়ারিদ নং ৪৮৫ এ মুহাক্বিক্বের টীকা হতে।- অনুবাদক))
সুনান আদ-দারিমী (1394)