أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ أَوَّلَ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ الصَّلَاةُ فَإِنْ وَجَدَ صَلَاتَهُ كَامِلَةً كُتِبَتْ لَهُ كَامِلَةً وَإِنْ كَانَ فِيهَا نُقْصَانٌ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى لِمَلَائِكَتِهِ انْظُرُوا هَلْ لِعَبْدِي مِنْ تَطَوُّعٍ فَأَكْمِلُوا لَهُ مَا نَقَصَ مِنْ فَرِيضَتِهِ ثُمَّ الزَّكَاةُ ثُمَّ الْأَعْمَالُ عَلَى حَسَبِ ذَلِكَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد لَا أَعْلَمُ أَحَدًا رَفَعَهُ غَيْرَ حَمَّادٍ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ صَحَّ هَذَا قَالَ إِي
১৩৯২. তামীম দারী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “বান্দার সর্ব প্রথম যে বিষয়ের হিসাব নেওয়া হবে, তা হলো সালাত। আর তা যদি পরিপূর্ণ হিসেবে পায়, তবে তা পরিপূর্ণ হিসেবে লিখা হবে। আর তাতে কোনো ঘাটতি থাকলে আল্লাহ তা’আলা মালাইকা (ফিরিশতা) দেরকে বলবেন, “তোমরা (খুঁজে) দেখো, আমার বান্দার নফল (সালাত) আছে কি-না। (থাকলে) তার ফরয সালাতের যে ঘাটতি রয়েছে, তার এ (নফল) দ্বারা তোমরা তা পূর্ণ করে দাও। তারপর যাকাত, তারপর অন্যান্য আমলসমূহের হিসাবও (এভাবে) নেওয়া হবে।“[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু মাজাহ ১৪২৬; আহমাদ ৪/১০৩; আবু দাউদ ৮৬৬; বাইহাকী ২/৩৮৭; হাকিম ১/২৬২-২৬৩; তাবারাণী, আল আওয়াইল নং ৩০।
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী হুরাইরা রা: হতে যা আমরা মুসনাদুল মাউসিলী ৬২২৬ নং এ ((ইবনু মাজাহ, ১৪২৫- অনুবাদক)); এবং আনাস রা: হতে যা আমরা মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৯৭৬ নং ও মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১৬৩১ এ তাখরীজ করেছি।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু মাজাহ ১৪২৬; আহমাদ ৪/১০৩; আবু দাউদ ৮৬৬; বাইহাকী ২/৩৮৭; হাকিম ১/২৬২-২৬৩; তাবারাণী, আল আওয়াইল নং ৩০।
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী হুরাইরা রা: হতে যা আমরা মুসনাদুল মাউসিলী ৬২২৬ নং এ ((ইবনু মাজাহ, ১৪২৫- অনুবাদক)); এবং আনাস রা: হতে যা আমরা মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৯৭৬ নং ও মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১৬৩১ এ তাখরীজ করেছি।
সুনান আদ-দারিমী (1392)