أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي عَبَّادُ بْنُ زِيَادٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ وَحَمْزَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ أَنَّهُمَا سَمِعَا الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ يُخْبِرُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقْبَلَ وَأَقْبَلَ مَعَهُ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ حَتَّى وَجَدُوا النَّاسَ قَدْ أَقَامُوا الصَّلَاةَ صَلَاةَ الْفَجْرِ وَقَدَّمُوا عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ يُصَلِّي بِهِمْ فَصَلَّى بِهِمْ عَبْدُ الرَّحْمَنِ رَكْعَةً مِنْ صَلَاةِ الْفَجْرِ قَبْلَ أَنْ يَأْتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَصَفَّ مَعَ النَّاسِ وَرَاءَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ فِي الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ فَلَمَّا سَلَّمَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ صَلَّى فَفَزِعَ النَّاسُ لِذَلِكَ وَأَكْثَرُوا التَّسْبِيحَ فَلَمَّا قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاتَهُ قَالَ لِلنَّاسِ قَدْ أَصَبْتُمْ أَوْ قَدْ أَحْسَنْتُمْ
১৩৭১. মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এগিয়ে চললেন এবং মুগীরা ইবনু শু’বাও তাঁর সাথে এগিয়ে চললেন। তখন তাঁরা লোকদেরকে ফজর সালাতে দণ্ডায়মান অবস্থায় পেলেন। আর লোকেরা আব্দুর রহমান ইবনু আউফ কে তাদের নিয়ে সালাত আদায়ের জন্য আগে বাড়িয়ে দিয়েছেন। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফিরে আসার পূর্বে আব্দুর রহমান তাদের নিয়ে ফজর সালাতের এক রাকা’আত আদায় করলেন; অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফিরে আসলেন এবং দ্বিতীয় রাকা’আতে আব্দুর রহমানের পিছনে লোকদের সাথে কাতারবদ্ধ হয়ে দাঁড়ালেন। অতঃপর যখন আব্দুর রহমান সালাম ফিরালেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উঠে দাঁড়িয়ে (ছুটে যাওয়া এক রাকা’আত) সালাত আদায় করলেন। এজন্য লোকেরা ভীত হয়ে পড়লো এবং অধিক পরিমানে তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) পড়তে লাগলো। এরপর যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সালাত শেষ করলেন, তখন লোকদেরকে বললেন: “তোমরা ঠিকই করেছো“ অথবা “তোমরা ভালই করেছো“।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। তবে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২২৪; মাওয়ারিদ নং ৩৭১ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৭৫; পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন। ((সহীহ মুসলিম ২৭৪ (১০৫); আহমাদ ৪/২৪৯, ২৫১; আবু দাউদ ১৪৯; নাসাঈ ৭৯; বাগাবী শারহুস সুন্নাহ ১/৪৫৫-৪৫৬ নং ২৩৬; বাইহাকী ১/২৭৪; তাবারাণী, আল কাবীর ২০/৩৭৬ নং ৮৮০, ৮৮১; ইবনু খুযাইমা ৩/৮ নং ১৫১৪।- মুহাক্বিক্বের মাওয়ারিদুয যাম’আন নং৩৭১ এর টীকা হতে- অনুবাদক।))
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। তবে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২২৪; মাওয়ারিদ নং ৩৭১ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৭৫; পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন। ((সহীহ মুসলিম ২৭৪ (১০৫); আহমাদ ৪/২৪৯, ২৫১; আবু দাউদ ১৪৯; নাসাঈ ৭৯; বাগাবী শারহুস সুন্নাহ ১/৪৫৫-৪৫৬ নং ২৩৬; বাইহাকী ১/২৭৪; তাবারাণী, আল কাবীর ২০/৩৭৬ নং ৮৮০, ৮৮১; ইবনু খুযাইমা ৩/৮ নং ১৫১৪।- মুহাক্বিক্বের মাওয়ারিদুয যাম’আন নং৩৭১ এর টীকা হতে- অনুবাদক।))
সুনান আদ-দারিমী (1371)