أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ مُعَاذًا كَانَ يُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ يَأْتِي قَوْمَهُ فَيُصَلِّي بِهِمْ فَجَاءَ ذَاتَ لَيْلَةٍ فَصَلَّى الْعَتَمَةَ وَقَرَأَ الْبَقَرَةَ فَجَاءَ رَجُلٌ مِنْ الْأَنْصَارِ فَصَلَّى ثُمَّ ذَهَبَ فَبَلَغَهُ أَنَّ مُعَاذًا يَنَالُ مِنْهُ فَشَكَا ذَلِكَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِمُعَاذٍ فَاتِنًا فَاتِنًا فَاتِنًا أَوْ فَتَّانًا فَتَّانًا فَتَّانًا ثُمَّ أَمَرَهُ بِسُورَتَيْنِ مِنْ وَسَطِ الْمُفَصَّلِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد نَأْخُذُ بِهَذَا
১৩৩০. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, মু’য়ায রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সালাত আদায় করতেন, এরপর সে তার কওমের লোকদের নিকট ফিরে গিয়ে তাদের নিয়ে সালাত আদায় করতনে। একরাতে ‘আতামাহ’ (‘ঈশা) -এর সালাতে তিনি সুরা বাকারা পড়তে লাগলেন। তখন এক আনসারী ব্যক্তি এসে (একাকী) সালাত আদায় করে চলে গেলো। এরপর তার নিকট খবর পৌঁছল যে, মু’য়ায তাকে তিরস্কার করেছেন। তাই সে এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট অভিযোগ করলো। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুয়াযকে বললেন:
“ফাতিনান, ফাতিনান, ফাতিনান, (ফিতনা সৃষ্টিকারী) অথবা ফাত্তানান, ফাত্তানান, ফাত্তানান“ (ফিতনা সৃষ্টিকারী)। এরপর তাকে ‘ওয়াসাতুল মুফাসসাল’ সুরা সমূহ থেকে দু’টি সূরা পাঠ করতে নির্দেশ দিলেন।[1]আবু মুহাম্মদ বলেন, আমরা এ মত গ্রহণ করেছি।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী ৭০০, ৭০১; মুসলিম ৪৬৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮২৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৪০, ২৪০০ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৮৩।
“ফাতিনান, ফাতিনান, ফাতিনান, (ফিতনা সৃষ্টিকারী) অথবা ফাত্তানান, ফাত্তানান, ফাত্তানান“ (ফিতনা সৃষ্টিকারী)। এরপর তাকে ‘ওয়াসাতুল মুফাসসাল’ সুরা সমূহ থেকে দু’টি সূরা পাঠ করতে নির্দেশ দিলেন।[1]আবু মুহাম্মদ বলেন, আমরা এ মত গ্রহণ করেছি।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: বুখারী ৭০০, ৭০১; মুসলিম ৪৬৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮২৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৪০, ২৪০০ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৮৩।
সুনান আদ-দারিমী (1330)