أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ فِتْيَانِي فَيَجْمَعُوا حَطَبًا فَآمُرَ رَجُلًا يُصَلِّي بِالنَّاسِ ثُمَّ أُخَالِفَ إِلَى أَقْوَامٍ يَتَخَلَّفُونَ عَنْ هَذِهِ الصَّلَاةِ فَأُحَرِّقَ عَلَيْهِمْ بُيُوتَهُمْ لَوْ كَانَ عَرْقًا سَمِينًا أَوْ مُعَرَّقَتَيْنِ لَشَهِدُوهَا وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِيهِمَا لَأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا
১৩০৭. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আমার ইচ্ছা হয়, আমি যুবকদেরকে কাঠ সংগ্রহের নির্দেশ দেই, অতঃপর এক ব্যক্তিকে লোকদেরকে নিয়ে সালাত আদায়ের নির্দেশ দেই, তারপর যারা এ সালাত হতে পিছিয়ে রয়েছে (জামা’আতে হাজির হয়নি), সেই সকল লোকদের পিছনে যাই এবং তাদের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেই। যদি গোশত ছাড়ানো মোটা হাড় কিংবা ছাগলের ভালো দু’টি পা[1] ও তারা (এখানে আসলে) পেতো, তবে অবশ্যই তারা এ দু’টি সালাতে উপস্থিত হতো। আর এ দু’টি সালাতে কী (সাওয়াব) রয়েছে, তারা যদি তা জানতো তাহলে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এ দু’সালাতের জামা’আতে উপস্থিত হতো।[2]

[1] ((মুহাক্বিক্বের নুসখায় রয়েছে معرقتان যার অর্থ সামান্য গোশতওয়ালা দু’টি বাঁকা হাড়। আর আহমদ যামাররালী ও খালিদ সাবিঈ’ এর তাহক্বীক্বকৃত (করাচী পাকিস্তান, কাদিমী কুতুবখানা’ কর্তক প্রকাশিত) নুসখায় রয়েছে مرماتين حسنتي আর এটি তা রয়েছে সহীহ বুখারীর বর্ণনায়ও। তাই আমরা সেটিরই অনূবাদ করেছি। - অনুবাদক))

[2] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ হাসান। (তবে হাদীসটি সহীহ)।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬৪৪; সহীহ মুসলিম ৬৫১।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৬৩৩৮; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৯৬ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ৯৮৬।

সুনান আদ-দারিমী (1307)