أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَامَ مِنْ اللَّيْلِ فَكَبَّرَ قَالَ سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنْ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْثِهِ وَنَفْخِهِ ثُمَّ يَسْتَفْتِحُ صَلَاتَهُ قَالَ جَعْفَرٌ وَفَسَّرَهُ مَطَرٌ هَمْزُهُ الْمُوتَةُ وَنَفْثُهُ الشِّعْرُ وَنَفْخُهُ الْكِبْرُ
১২৭১. আবী সাঈদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন রাতে সালাত আদায়ের জন্য দাঁড়াতেন, তখন তিনি তাকবীর দিয়ে বলতেন: “হে আল্লাহ! মহা পবিত্র আপনি, প্রশংসা আপনারই। আপনার নাম কতই না বরকতময়, আর আপনার মর্যাদা অতি উচ্চ আর আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।
বিতাড়িত শয়তান, তার কু-মন্ত্রণা, কুপ্রভাব ও কুপ্ররোচনা থেকে সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি।“ জা’ফর বলেন: মাতার ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘হামযুহু’ (কুমন্ত্রণা) অর্থ: শয়তানী; ‘নাফছুহু’ (কুপ্রভাব) অর্থ: (অশ্লীল) কবিতা; ‘নাফখুহ’ (কুপ্ররোচনা) অর্থ: তার অহমিকা (উন্মত্ততা)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১১০৮; এছাড়া, দারুকুতনী ১/২৯৮ নং ৪; বাইহাকী ২/৩৫; ইবনু আবী শাইবা ১/২৩২; সহীহ ইবনু খুযাইমা নং ৪৬৭। ((আহমাদ ৩/৫০; আবু দাউদ , ৭৬৪, ৭৭৫; তিরমিযী ২৪২; নাসাঈ ৪/১৩২; ইবনু মাজাহ ৮০৪, ৪১৭৬; ইবনু হিব্বান ৩২৪৫ - মুহাক্বিক্বের মুসনাদুল মাওসিলীর ১১০৮ এর টীকা হতে। - অনুবাদক))
বিতাড়িত শয়তান, তার কু-মন্ত্রণা, কুপ্রভাব ও কুপ্ররোচনা থেকে সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি।“ জা’ফর বলেন: মাতার ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘হামযুহু’ (কুমন্ত্রণা) অর্থ: শয়তানী; ‘নাফছুহু’ (কুপ্রভাব) অর্থ: (অশ্লীল) কবিতা; ‘নাফখুহ’ (কুপ্ররোচনা) অর্থ: তার অহমিকা (উন্মত্ততা)।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ জাইয়্যেদ।
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১১০৮; এছাড়া, দারুকুতনী ১/২৯৮ নং ৪; বাইহাকী ২/৩৫; ইবনু আবী শাইবা ১/২৩২; সহীহ ইবনু খুযাইমা নং ৪৬৭। ((আহমাদ ৩/৫০; আবু দাউদ , ৭৬৪, ৭৭৫; তিরমিযী ২৪২; নাসাঈ ৪/১৩২; ইবনু মাজাহ ৮০৪, ৪১৭৬; ইবনু হিব্বান ৩২৪৫ - মুহাক্বিক্বের মুসনাদুল মাওসিলীর ১১০৮ এর টীকা হতে। - অনুবাদক))
সুনান আদ-দারিমী (1271)