حَدَّثَنَا إِسْحَقُ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنَا الْمُغِيرَةُ بْنُ حَكِيمٍ أَنَّ أُمَّ كُلْثُومٍ بِنْتَ أَبِي بَكْرٍ أَخْبَرَتْهُ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ أَعْتَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ لَيْلَةٍ حَتَّى ذَهَبَ عَامَّةُ اللَّيْلِ وَرَقَدَ أَهْلُ الْمَسْجِدِ فَخَرَجَ فَصَلَّاهَا فَقَالَ إِنَّهَا لَوَقْتُهَا لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي
১২৪৬. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈশার সালাত কে পিছিয়ে দিলেন। এমনকি রাত্রির প্রথম (এক-তৃতীয়) অংশ অতিবাহিত হয়ে গেলো। মসজিদে অবস্থানকারী লোকেরা ঘুমিয়ে পড়লো। অত:পর তিনি বের হলেন এবং ঈশার সালাত আদায় করলেন। তারপর বললেন: “যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হবে বলে আশংকা না করতাম, তবে এটিই এর (ঈশার সালাতের zwj;মুস্তাহাব) ওয়াক্ত ছিলো।[1]
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ২১১৪; আহমাদ ৬/১৫০; সহীহ zwj;মুসলিম ৬৩৮ (২১৯); নাসাঈ ৫৩৭; আবু আউয়ানাহ ১/৩৬২; বাইহাকী ১/৪৫০; আরও দেখুন, আগের টীকাটি।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ২১১৪; আহমাদ ৬/১৫০; সহীহ zwj;মুসলিম ৬৩৮ (২১৯); নাসাঈ ৫৩৭; আবু আউয়ানাহ ১/৩৬২; বাইহাকী ১/৪৫০; আরও দেখুন, আগের টীকাটি।
সুনান আদ-দারিমী (1246)