أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا اشْتَدَّ الْحَرُّ فَأَبْرِدُوا بِالصَّلَاةِ فَإِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هَذَا عِنْدِي عَلَى التَّأْخِيرِ إِذَا تَأَذَّوْا بِالْحَرِّ
১২৩৯. আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন গ্রীষ্মকালীন উত্তাপ বৃদ্ধি পায়, তখন সালাত ঠাণ্ডা করে (কিছুটা বিলম্বে) আদায় করবে। কেননা, উত্তাপের তীব্রতা জাহান্নামের নি:শ্বাস (উত্তাপ বিচ্ছুরণ ও বিস্তার) থেকে উদ্ভূত হয়ে থাকে।“[1]
আবু মুহাম্মদ বলেন: আমার মতে, এর অর্থ হলো যখন গরমের কারণে কষ্ট হয়, তখন (সালাতকে) পিছিয়ে দেয়া।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। তবে হাদীসটি সহীহ বুখারী-মুসলিমের।
তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫৩৩, ৫৩৪; সহীহ মুসলিম ৬১৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৭১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫০৪,১৫০৬, ১৫০৭ এ।
আবু মুহাম্মদ বলেন: আমার মতে, এর অর্থ হলো যখন গরমের কারণে কষ্ট হয়, তখন (সালাতকে) পিছিয়ে দেয়া।
[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ। তবে হাদীসটি সহীহ বুখারী-মুসলিমের।
তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫৩৩, ৫৩৪; সহীহ মুসলিম ৬১৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৭১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫০৪,১৫০৬, ১৫০৭ এ।
সুনান আদ-দারিমী (1239)