أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ حَكِيمٍ الْأَثْرَمِ عَنْ أَبِي تَمِيمَةَ الْهُجَيْمِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ أَتَى حَائِضًا أَوْ امْرَأَةً فِي دُبُرِهَا أَوْ كَاهِنًا فَصَدَّقَهُ بِمَا يَقُولُ فَقَدْ كَفَرَ بِمَا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ
১১৭০. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে, “যে ব্যক্তি হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীলোকের সাথে সঙ্গম করে কিংবা স্ত্রীর পশ্চাদ্দারে সঙ্গম করে, অথবা গণকের কাছে যায় এবং সে যা বলে তা সত্য বলে বিশ্বাস করে, তবে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, সে ব্যক্তি তাতে কুফরী করলো।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৫২-২৫৩; আহমাদ ২/৪০৮, ৪৭৬; বুখারী, আল কাবীর ৩/১৬, ১৭; আবু দাউদ ৩৯০৪; তিরমিযী ১৩৫; নাসাঈ, আল কুবরা নং ৯০১৬; ইবনু মাজাহ ৬৩৯; ইবনুল জারুদ নং ১০৭; উকাইলী, আদ দুয়া’ফা ১/৩১৮; ইবনু আদী, আল কামিল ২/৬৩৭; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ৩/৪৫; বাইহাকী ৭/১৯৮।

তিরমিযী বলেন: আহলুল ইলম গণের নিকট এর অর্থ ‘কঠোরতা’ করা.... । কেননা, যদি হায়িয অবস্থায় স্ত্রী-গমণ (প্রকৃত) কুফর হতো, তবে এর জন্য কাফ্ফারা দেওয়ার আদেশ করা হতো না।’

দেখুন, ইবনু আব্বাসের হাদীস গত ১১৪৬ (অনূবাদে ১১৪০) নং এবং পরবর্তী ১১৮০ (অনূবাদে ১১৭৪) নং হাদীসটি। আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ৩/১৮০-১৮৮; তাবারাণী, মু’জামুল আওসাত নং ৯১৭৫; মাজমাউল বাহরাইন ৪/১৯০ নং ২৩১১।

সুনান আদ-দারিমী (1170)