أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سَمِعْتُ مُغِيرَةَ قَالَ أَرْسَلَ أَبُو ظَبْيَانَ إِلَى إِبْرَاهِيمَ يَسْأَلُهُ عَنْ الْحَائِضِ تُوَضِّئُ الْمَرِيضَ قَالَ نَعَمْ وَتُسْنِدُهُ قَالَ لَا فَقُلْتُ لِلْمُغِيرَةِ سَمِعْتَهُ مِنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لَا قَالَ عَبْد اللَّهِ وَتُسْنِدُهُ يَعْنِي فِي الصَّلَاةِ
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :
تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :
১১০৪. শু’বাহ বলেন, আমি মুগীরাহকে বলতে শুনেছি, আবী যুবইয়ান এক ব্যক্তিকে ইবরাহীম রাহি. এর নিকট এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠালেন যে, হায়িযগ্রস্ত মহিলা অসুস্থ ব্যক্তিকে ওযু করাতে পারবে কি-না?
তিনি বললেন: হাঁ।’ (তাকে আরও জিজ্ঞেস করা হলো,) ‘সে তার উপর ঠেস দিতে পারবে কি? তিনি বলেন: না।
তখন আমি (শু’বাহ) মুগীরাহকে বললাম, আপনি কি একথা ইবরাহীমের নিকট থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, না।[1]আব্দুল্লাহ বলেন: ‘সে তার উপর ঠেস দিতে পারবে কি?’-একথার অর্থ সালাতের মধ্যে (ঠেস দেওয়া সম্পর্কে)।
[1] তাহক্বীক্ব; ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১২৫৯; ইবনু আবী শাইবা ১/২০২। এটি ১১০৭ (অনুবাদে ১১০২) নং এ গত হয়েছে।
তিনি বললেন: হাঁ।’ (তাকে আরও জিজ্ঞেস করা হলো,) ‘সে তার উপর ঠেস দিতে পারবে কি? তিনি বলেন: না।
তখন আমি (শু’বাহ) মুগীরাহকে বললাম, আপনি কি একথা ইবরাহীমের নিকট থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, না।[1]আব্দুল্লাহ বলেন: ‘সে তার উপর ঠেস দিতে পারবে কি?’-একথার অর্থ সালাতের মধ্যে (ঠেস দেওয়া সম্পর্কে)।
[1] তাহক্বীক্ব; ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে এর সনদ যঈফ।
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১২৫৯; ইবনু আবী শাইবা ১/২০২। এটি ১১০৭ (অনুবাদে ১১০২) নং এ গত হয়েছে।
সুনান আদ-দারিমী (1104)