أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا خَالِدٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ أَتَتْ امْرَأَةٌ إِلَى عَائِشَةَ فَقَالَتْ أَقْضِي مَا تَرَكْتُ مِنْ صَلَوَاتِي فِي الْحَيْضِ عِنْدَ الطُّهْرِ فَقَالَتْ عَائِشَةُ أَحَرُورِيَّةٌ أَنْتِ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَكَانَتْ إِحْدَانَا تَحِيضُ وَتَطْهُرُ فَلَا يَأْمُرُنَا بِالْقَضَاءِ

تحقيق الشيخ حسين سليم أسد الداراني :إسناده ضعيف لضعف الليث بن أبي سليم ولكن الحديث متفق عليه
১০২০. আব্দুর রহমান ইবনু কাসিম তার পিতা কাসিম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার নিকট এক মহিলা এসে জিজ্ঞেস করলো, আমি কি হায়েয হতে পবিত্রতা লাভ করার পর হায়েযকালীন দিনগুলিতে পরিত্যক্ত সালাতসমূহের কাযা আদায় করবো? তখন আয়িশা বলেন, ‘তুমি কি হারুরী (খারিজী)? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে আমাদের কারো হায়েয হতো এবং সে পবিত্রতা লাভ করতো, কিন্তু তিনি আমাদেরকে কাযা আদায়ের নির্দেশ দিতেন না।[1]

[1] তাহক্বীক শায়খ হুসাইন সালিম আসাদ আদ-দারানী : এর সনদ যঈফ, লাইছ ইবনু আবী সালীম যঈফ। কিন্তু হাদীসটি (মুত্তাফাকুন আলাইহি) বুখারী-মুসলিমের হাদীস।

তাখরীজ: এটি ১০১৯, ১০২০, ১০২১ (অনুবাদে ১০১৩, ১০১৪, ২০১৫) নং এ গত হয়েছে। আর আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৬৩৭ নং এ।

সুনান আদ-দারিমী (1020)