735 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اقْرَأْ عَلَيَّ»، قَالَ: قُلْتُ: أَقْرَأُ عَلَيْكَ، وَإِنَّمَا أُنْزِلَ الْقُرْآنُ عَلَيْكَ؟، قَالَ: «إِنِّي أُحِبُّ أَنْ أَسْمَعَهُ مِنْ غَيْرِي». فَقَرَأْتُ عَلَيْهِ سُورَةَ النِّسَاءِ حَتَّى إِذَا بَلَغْتُ: {فَكَيْفَ إِذَا جِئْنَا مِنْ كُلِّ أُمَّةٍ بِشَهِيدٍ وَجِئْنَا بِكَ عَلَى هَؤُلَاءِ شَهِيدًا} [النساء: 41] نَظَرْتُ إِلَيْهِ، فَإِذَا عَيْنَاهُ تُهْرَاقَانِ. . [1: 95]
رقم طبعة با وزير = (732)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «تخريج فقه السيرة» (192): ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، عبد الغفار بن عبد اللَّه ذكره ابن حبان في «الثقات»، وترجمه ابن أبي حاتم ولم يذكر فيه جرحاً ولا تعديلاً، وقد توبع عليه كما سيأتي، وباقي رجال الإسناد ثقات، إبراهيم هو النخعي، وعَبيدة -بفتح العين- هو ابن عمرو السلماني المرادي.
رقم طبعة با وزير = (732)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «تخريج فقه السيرة» (192): ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح، عبد الغفار بن عبد اللَّه ذكره ابن حبان في «الثقات»، وترجمه ابن أبي حاتم ولم يذكر فيه جرحاً ولا تعديلاً، وقد توبع عليه كما سيأتي، وباقي رجال الإسناد ثقات، إبراهيم هو النخعي، وعَبيدة -بفتح العين- هو ابن عمرو السلماني المرادي.
আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বলেন, “তুমি আমাকে কুর‘আন পাঠ করে শুনাও।” রাবী বলেন, আমি বললাম, “আমি আপনাকে কুর‘আন পাঠ করে শুনাবো? অথচ আপনার উপরে কুর‘আন অবতীর্ণ হয়েছে!” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বলেন, “আমি অন্যের কাছ থেকে শুনতে ভালবাসি।” ফলে আমি তাঁকে সূরা নিসা পাঠ করে শুনালাম। অতঃপর আমি যখন এই আয়াত পর্যন্ত পৌঁছলাম: “সেসময়ের অবস্থা কেমন হবে, যখন প্রত্যেক উম্মত থেকে একজন করে সাক্ষী আনয়ন করবো, আর আপনাকে এদের বিপক্ষে সাক্ষী হিসেবে আনবো।” (সূরা নিসা: ৪১।) তখন আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলাম যে, তাঁর দু‘চোখ থেকে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছে!”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ৮০০; আত তাবারানী: ৮৪৬১; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১০/১৫৬৩; সহীহ আল বুখারী: ৪৫৮২; মুসনাদ আহমাদ: ১/৩৮০; আবু দাঊদ: ৩৬৬৮; তিরমিযী: ৩০২৮; সুনান বাইহাকী: ১০/২৩১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১২২০; আবু ইয়ালা: ৫২২৮; হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৭/২০৩; হুমাইদী: ১০১। শায়খ শু‘আইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (তাখরীজু ফিকহিস সীরাহ: ১৯২।)
[1] সহীহ মুসলিম: ৮০০; আত তাবারানী: ৮৪৬১; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ১০/১৫৬৩; সহীহ আল বুখারী: ৪৫৮২; মুসনাদ আহমাদ: ১/৩৮০; আবু দাঊদ: ৩৬৬৮; তিরমিযী: ৩০২৮; সুনান বাইহাকী: ১০/২৩১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১২২০; আবু ইয়ালা: ৫২২৮; হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৭/২০৩; হুমাইদী: ১০১। শায়খ শু‘আইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (তাখরীজু ফিকহিস সীরাহ: ১৯২।)
সহীহ ইবনু হিব্বান (735)