725 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي السَّرِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يَمِينُ اللَّهِ مَلْأَى لَا يَغِيضُهَا نَفَقَةٌ، سَحَّاءُ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، أَرَأَيْتُمْ مَا أَنْفَقَ مُنْذُ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ، فَإِنَّهُ لَمْ يَغِضْ مَا فِي يَمِينِهِ، وَالْيَدُ الْأُخْرَى الْقَبْضُ، يَرْفَعُ وَيَخْفِضُ، وَعَرْشُهُ عَلَى الْمَاءِ»
رقم طبعة با وزير = (723) [ص:504] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: هَذِهِ أَخْبَارٌ أُطْلِقَتْ مِنْ هَذَا النَّوْعِ تُوهِمُ مَنْ لَمْ يُحْكِمْ صِنَاعَةَ الْعِلْمِ أَنَّ أَصْحَابَ الْحَدِيثِ مُشَبِّهَةٌ، عَائِذٌ بِاللَّهِ أَنْ يَخْطُرَ ذَلِكَ بِبَالِ أَحَدٍ مِنْ أَصْحَابِ الْحَدِيثِ وَلَكِنْ أَطْلَقَ هَذِهِ الْأَخْبَارِ بِأَلْفَاظِ التَّمْثِيلِ لِصِفَاتِهِ عَلَى حَسْبِ مَا يَتَعَارَفُهُ النَّاسُ فِيمَا بَيْنَهُمْ دُونَ تَكْيِيفِ صِفَاتِ اللَّهِ، جَلَّ [ص:505] رَبُّنَا عَنْ أَنْ يُشَبَّهَ بِشَيْءٍ مِنَ الْمَخْلُوقِينَ، أَوْ يُكَيَّفَ بِشَيْءٍ مِنْ صِفَاتِهِ، إِذْ لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ. [3: 67]تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، ابن أبي السري متابع، ومن فوقه على شرطهما.
رقم طبعة با وزير = (723) [ص:504] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: هَذِهِ أَخْبَارٌ أُطْلِقَتْ مِنْ هَذَا النَّوْعِ تُوهِمُ مَنْ لَمْ يُحْكِمْ صِنَاعَةَ الْعِلْمِ أَنَّ أَصْحَابَ الْحَدِيثِ مُشَبِّهَةٌ، عَائِذٌ بِاللَّهِ أَنْ يَخْطُرَ ذَلِكَ بِبَالِ أَحَدٍ مِنْ أَصْحَابِ الْحَدِيثِ وَلَكِنْ أَطْلَقَ هَذِهِ الْأَخْبَارِ بِأَلْفَاظِ التَّمْثِيلِ لِصِفَاتِهِ عَلَى حَسْبِ مَا يَتَعَارَفُهُ النَّاسُ فِيمَا بَيْنَهُمْ دُونَ تَكْيِيفِ صِفَاتِ اللَّهِ، جَلَّ [ص:505] رَبُّنَا عَنْ أَنْ يُشَبَّهَ بِشَيْءٍ مِنَ الْمَخْلُوقِينَ، أَوْ يُكَيَّفَ بِشَيْءٍ مِنْ صِفَاتِهِ، إِذْ لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ. [3: 67]تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: حديث صحيح، ابن أبي السري متابع، ومن فوقه على شرطهما.
ফাযালা বিন উবাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন, তখন কিছু লোক ক্ষুধার কারণে সালাতে পড়ে যেতেন। এঁরা ছিলেন আসহাবে সুফ্ফাহ। তখন বেদুইন ব্যক্তিরা বলতো, “নিশ্চয়ই এরা পাগল হয়ে গেছে!” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত শেষ করে বলতেন, “যদি তোমরা জানতে যে, মহান আল্লাহর কাছে তোমাদের জন্য কী প্রতিদান রয়েছে, তবে তোমরা অবশ্যই ক্ষুধা ও অভাব বৃদ্ধি পাওয়াকে পছন্দ করতে।” ফাযালা বিন উবাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু বলেন, “সেসময় আমিও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে ছিলাম।”[1]
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৬/১৮; তিরমিযী: ২৩৬৮; আত তাবারানী আল কাবীর: ১৮/৭৯৮; আবু নু‘আইম, হিলইয়াতুল আওলিয়া: ২/১৭। শায়খ শু‘আইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (আস সহীহাহ: ২১৬৯।)
৭২৩.
আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহর ডান হাত পরিপূর্ণ; দিনে-রাতের খরচ তাতে কোন কমতি আনতে পারে না। তোমরা কি ভেবে দেখেছো আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টি অবধি তিনি যা খরচ করেছেন, তা তাঁর ডান হাতে যা রয়েছে, তার কোন কমতি আনয়ন করেনি। তাঁর অন্য হাত (রুহ) গ্রহণ করে। তিনি (মানুষের মর্যাদা) সমুন্নত করেন এবং অবনমিত করেন। আর তাঁর আরশ পানির উপর রয়েছে।”[1]
আবু হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই ধরণের হাদীসগুলো সাধারণভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যাদের এই বিষয়ে মজবুত ইলম নেই, তারা এই সংশয়ে পড়ে যায় যে, মুহাদ্দিসগণ মুশাব্বিহাহ (আল্লাহর সিফাতকে মাখলুকাতের সিফাতের সাথে সাদৃশ্যতা দানকারী)! মুহাদ্দিসগণের কারো মনে এই ধরণের ধারণা আসা থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চাই। বস্তুত এই সমস্ত হাদীসে উপমার শব্দে আল্লাহর সিফাতগুলো সাধারণভাবে যেভাবে মানুষ নিজেদের মাঝে জানে, সেভাবে বর্ণিত হয়েছে; এখানে মহান আল্লাহর সিফাতসমূহকে মাখলূকের সিফাতের সাথে সাদৃশ্যতা দিয়ে ধরণ বর্ণনা করা হয়নি অথবা তাঁর কোন সিফাতের ধরণ বর্ণনা করা হয়নি। কেননা তাঁর সদৃশ কোন কিছুই নেই।”
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৩১৩; সহীহ আল বুখারী: ৭৪১৯; সহীহ মুসলিম: ৯৯৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৬৫৬; তিরমিযী: ৩০৪৫; ইবনু মাজাহ: ১৯৭। শায়খ শু‘আইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৭২৩।)
[1] মুসনাদ আহমাদ: ৬/১৮; তিরমিযী: ২৩৬৮; আত তাবারানী আল কাবীর: ১৮/৭৯৮; আবু নু‘আইম, হিলইয়াতুল আওলিয়া: ২/১৭। শায়খ শু‘আইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (আস সহীহাহ: ২১৬৯।)
৭২৩.
আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহর ডান হাত পরিপূর্ণ; দিনে-রাতের খরচ তাতে কোন কমতি আনতে পারে না। তোমরা কি ভেবে দেখেছো আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টি অবধি তিনি যা খরচ করেছেন, তা তাঁর ডান হাতে যা রয়েছে, তার কোন কমতি আনয়ন করেনি। তাঁর অন্য হাত (রুহ) গ্রহণ করে। তিনি (মানুষের মর্যাদা) সমুন্নত করেন এবং অবনমিত করেন। আর তাঁর আরশ পানির উপর রয়েছে।”[1]
আবু হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই ধরণের হাদীসগুলো সাধারণভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যাদের এই বিষয়ে মজবুত ইলম নেই, তারা এই সংশয়ে পড়ে যায় যে, মুহাদ্দিসগণ মুশাব্বিহাহ (আল্লাহর সিফাতকে মাখলুকাতের সিফাতের সাথে সাদৃশ্যতা দানকারী)! মুহাদ্দিসগণের কারো মনে এই ধরণের ধারণা আসা থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চাই। বস্তুত এই সমস্ত হাদীসে উপমার শব্দে আল্লাহর সিফাতগুলো সাধারণভাবে যেভাবে মানুষ নিজেদের মাঝে জানে, সেভাবে বর্ণিত হয়েছে; এখানে মহান আল্লাহর সিফাতসমূহকে মাখলূকের সিফাতের সাথে সাদৃশ্যতা দিয়ে ধরণ বর্ণনা করা হয়নি অথবা তাঁর কোন সিফাতের ধরণ বর্ণনা করা হয়নি। কেননা তাঁর সদৃশ কোন কিছুই নেই।”
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/৩১৩; সহীহ আল বুখারী: ৭৪১৯; সহীহ মুসলিম: ৯৯৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৬৫৬; তিরমিযী: ৩০৪৫; ইবনু মাজাহ: ১৯৭। শায়খ শু‘আইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৭২৩।)
সহীহ ইবনু হিব্বান (725)