3691 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُكْرَمٍ الْبَزَّارُ الْحَافِظُ، بِالْبَصْرَةِ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ الْأَبَّارُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِي النَّجُودِ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، قَالَ: [ص:447] لَقِيتُ أُبَيَّ بْنَ كَعْبٍ، فَقُلْتُ: حَدِّثْنِي فَإِنَّهُ كَانَ يُعْجِبُنِي لُقِيُّكَ وَمَا قَدِمْتُ إِلَّا لِلِقَائِكَ، فَأَخْبِرْنِي عَنْ لَيْلَةِ الْقَدْرِ، فَإِنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ، يَقُولُ: مَنْ يَقُمِ السَّنَةَ يُصِبْهَا أَوْ يُدْرِكْهَا، قَالَ: لَقَدْ عَلِمَ أَنَّهَا فِي شَهْرِ رَمَضَانَ، وَلَكِنَّهُ أَحَبَّ أَنْ يُعَمِّيَّ عَلَيْكُمْ، وَإِنَّهَا لَيْلَةُ سَابِعَةٍ وَعِشْرِينَ بِالْآيَةِ الَّتِي حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَفِظْنَاهَا وَعَرَفْنَاهَا، فَكَانَ زِرٌّ يُوَاصِلُ إِلَى السَّحَرِ، فَإِذَا كَانَ قَبْلَهَا بِيَوْمٍ أَوْ بَعْدَهَا صَعِدَ الْمَنَارَةَ، فَنَظَرَ إِلَى مَطْلِعِ الشَّمْسِ، وَيَقُولُ: «إِنَّهَا تَطْلُعُ لَا شُعَاعَ لَهَا حَتَّى تَرْتَفِعَ»
رقم طبعة با وزير = (3683)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: م - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن
رقم طبعة با وزير = (3683)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: م - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن
যির বিন হুবাইশ রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি উবাই বিন কা‘ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সাক্ষাত করি। অতঃপর আমি বলি, “আপনি আমাকে হাদীস বর্ণনা করুন। কেননা আপনার সাক্ষাত আমার কাছে খুবই প্রীতিকর। আর এখানে কেবল আপনার সাথে সাক্ষাত করার জন্যই এসেছি। কাজেই আপনি আমাকে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে হাদীস বর্ণনা করুন। কেননা আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “যে ব্যক্তি সারা বছর ই‘তিকাফ করবে, সে ব্যক্তি লাইলাতুল কদর পেয়ে যাবে।” তখন উবাই বিন কা‘ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “নিশ্চয়ই তিনি জানেন যে, এটা রমযান মাসে। তিনি এটাকে তোমাদের কাছে গোপন রাখতে চেয়েছেন। নিশ্চয়ই ২৭ তম রাতে। এটাকে চেনা যাবে কিছু নিদর্শনের মাধ্যমে, যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন। অতঃপর আমরা সেটাকে সংরক্ষন করেছি এবং সেটাকে আমরা চিনেছি।” অতঃপর যির বিন হুবাইশ রহিমাহুল্লাহ নিয়মিত ভোর পর্যবেক্ষন করতেন। তিনি লাইলাতুল কদর রাত্রের আগের বা পরের দিন মিনারে উঠতেন অতঃপর সূর্য উদয় লক্ষ্য করতেন এবং বলতেন, “নিশ্চয়ই সূর্য উদিত হবে এমন অবস্থায় যে, ঊর্ধ্বাকাশে উদিত হওয়া পর্যন্ত তার কিরণ থাকবে না।”[1]
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২১৯১; হুমাইদী: ৩৭৫; সহীহ মুসলিম: ২/৮২৮; সুনান বাইহাকী: ৪/৩১২; বাগাবী: ১৮২৮; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৭০০; আবূ দাঊদ: ১৩৭৮; তিরমিযী: ৭৯৩; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৭৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৪৭)
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২১৯১; হুমাইদী: ৩৭৫; সহীহ মুসলিম: ২/৮২৮; সুনান বাইহাকী: ৪/৩১২; বাগাবী: ১৮২৮; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৭০০; আবূ দাঊদ: ১৩৭৮; তিরমিযী: ৭৯৩; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/৭৬। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৪৭)
সহীহ ইবনু হিব্বান (3691)