3661 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: اعْتَكَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْعَشْرَ الْأَوْسَطَ مِنْ رَمَضَانَ وَهُوَ يَلْتَمِسُ لَيْلَةَ الْقَدْرِ، ثُمَّ أَمَرَ بِالْبِنَاءِ، فَنُقِضَ، ثُمَّ أُبِينَتْ لَهُ فِي الْعَشْرِ الْأَوَاخِرِ، فَأَمَرَ بِهِ فَأُعِيدَ فَخَرَجَ إِلَيْنَا، فَقَالَ: «إِنَّهَا أُبِينَتْ لِي لَيْلَةُ الْقَدْرِ، وَإِنِّي خَرَجْتُ لِأُبِينَهَا لَكُمْ، فَتَلَاحَى رَجُلَانِ، فَنُسِّيتُهَا فَالْتَمِسُوهَا فِي التَّاسِعَةِ وَالسَّابِعَةِ وَالْخَامِسَةِ»، قُلْتُ: يَا أَبَا سَعِيدٍ إِنَّكُمْ أَعْلَمُ بِالْعَدَدِ مِنَّا، فَأَيُّ لَيْلَةٍ التَّاسِعَةُ وَالسَّابِعَةُ وَالْخَامِسَةُ، قَالَ: إِذَا كَانَ لَيْلَةُ وَاحِدٍ وَعِشْرِينَ، ثُمَّ دَعْ لَيْلَةً، ثُمَّ الَّتِي تَلِيهَا هِيَ السَّابِعَةُ، ثُمَّ دَعْ لَيْلَةً وَالَّتِي تَلِيهَا هِيَ الْخَامِسَةُ، قَالَ الْجُرَيْرِيُّ: وَحَدَّثَنِي أَبُو الْعَلَاءِ، عَنْ مُطَرِّفٍ، أَنَّهُ سَمِعَ مُعَاوِيَةَ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَالثَّالِثَةِ»
رقم طبعة با وزير = (3653) [ص:421] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: الْأَمْرُ بِالْتِمَاسِ لَيْلَةِ الْقَدْرِ فِي اللَّيَالِي الْمَعْلُومَةِ الْمَذْكُورَةِ فِي الْخَبَرِ أَمْرُ نَفْلٍ، أُمِرَ مِنْ أَجْلِ سَبَبٍ، وَهُوَ مُصَادَفَةُ لَيْلَةِ الْقَدْرِ، فَمَتَى صُودِفَتْ فِي إِحْدَى اللَّيَالِي الْمَذْكُورَةِ سَقَطَ عَنْهُ طَلَبُهَا فِي سَائِرِ اللَّيَالِيتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1252): م. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
رقم طبعة با وزير = (3653) [ص:421] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: الْأَمْرُ بِالْتِمَاسِ لَيْلَةِ الْقَدْرِ فِي اللَّيَالِي الْمَعْلُومَةِ الْمَذْكُورَةِ فِي الْخَبَرِ أَمْرُ نَفْلٍ، أُمِرَ مِنْ أَجْلِ سَبَبٍ، وَهُوَ مُصَادَفَةُ لَيْلَةِ الْقَدْرِ، فَمَتَى صُودِفَتْ فِي إِحْدَى اللَّيَالِي الْمَذْكُورَةِ سَقَطَ عَنْهُ طَلَبُهَا فِي سَائِرِ اللَّيَالِيتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1252): م. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমযানের মধ্য দশকে ই‘তেকাফ করেছেন। এসময় তিনি লাইলাতুল কদর খুঁজতেছিলেন। তারপর তাঁর নির্দেশক্রমে তাবূ ভেঙ্গে ফেলা হয়। তারপর লাইলাতুল কদর তাঁর কাছে শেষ দশকে প্রকাশ করে দেওয়া হয়। ফলে তাঁর নির্দেশক্রমে পুনরায় তাবূ স্থাপন করা হয়। তারপর তিনি আমাদের উদ্দেশ্যে বের হন এবং বলেন, “নিশ্চয়ই আমার কাছে লাইলাতুল কদর স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল আর আমি সেটা তোমাদের কাছে বর্ণনা করার জন্য বের হই। অতঃপর দুইজন ব্যক্তি বিবাদে লিপ্ত হয় তারপর সেটা আমাকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়। কাজেই তোমরা এটা নবম, সপ্তম ও পঞ্চম রাতে তালাশ করো।” অধঃস্থন রাবী বলেন, “হে আবূ সাঈদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, নিশ্চয়ই আপনার আমাদের চেয়ে হিসাব ভালো জানেন। নবম, সপ্তম ও পঞ্চম রাত কোনটি?” জবাবে তিনি বলেন, “যখন ২১ তম রাত হবে (সেটা নবম রাত), তারপর এক রাত ছেড়ে দিবে, তারপরের রাত সপ্তম রাত, তারপর এক রাত ছেড়ে দিবে, তারপরের রাত পঞ্চম রাত।” জুয়াইরী বলেন, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবূ আলা, তিনি মুতাররিফ থেকে, তিনি মুআবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “এবং তৃতীয় রাতে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “হাদীসে উল্লেখিত রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর তালাশ করার নির্দেশটি নফল নির্দেশ, একটি কারণে এই নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। সেটি হলো লাইলাতুল কদর পাওয়া। কাজেই উল্লেখিত রাতগুলোর মাঝে যখন যে কোন এক রাতে লাইলাতুল কদর পাওয়া যাবে, তখন বাকী রাতে তা অন্বেষণ করার বিষয়টি বাদ যাবে।”
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২১৭৬; আবূ ইয়ালা: ১০৭৬; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১০; আত তায়ালিসী: ২১৬৬; আবূ দাঊদ: ১৩৭৩; সুনান বাইহাকী: ৪/৩০৮; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৬৮৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৫২)
[1] সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২১৭৬; আবূ ইয়ালা: ১০৭৬; মুসনাদ আহমাদ: ৩/১০; আত তায়ালিসী: ২১৬৬; আবূ দাঊদ: ১৩৭৩; সুনান বাইহাকী: ৪/৩০৮; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৬৮৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১২৫২)
সহীহ ইবনু হিব্বান (3661)