3571 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَلَمْ أُخْبَرْ أَنَّكَ تَصُومُ النَّهَارَ وَتَقُومُ اللَّيْلَ»، قُلْتُ: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «فَلَا تَفْعَلْ، نَمْ وَقُمْ وَصُمْ وَأَفْطِرْ، فَإِنَّ لِجَسَدِكَ عَلَيْكَ حَقًّا، وَإِنَّ لِزَوْرِكَ عَلَيْكَ حَقًّا، وَإِنَّ لِزَوْجَتِكَ عَلَيْكَ حَقًّا، وَإِنِّي مُخَيِّرُكَ أَنْ تَصُومَ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ، فَإِنَّ بِكُلِّ حَسَنَةٍ عَشَرَةُ أَمْثَالِهَا، فَإِذَا ذَلِكَ صِيَامُ الدَّهْرِ كُلِّهِ»، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي أَجِدُ قُوَّةً، قَالَ: «صُمْ مِنْ كُلِّ جُمُعَةٍ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ»، قَالَ: فَشَدَدْتُ فَشُدِّدَ عَلَيَّ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي أَجِدُ قُوَّةً، قَالَ: «صُمْ صِيَامَ نَبِيِّ اللَّهِ [ص:338] دَاوُدَ وَلَا تَزِدْ عَلَيْهِ»، قُلْتُ: فَمَا صِيَامُ نَبِيِّ اللَّهِ دَاوُدَ؟، قَالَ: «نِصْفُ الدَّهْرِ»
رقم طبعة با وزير = (3563) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: قَوْلُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَإِنَّ لِزَوْرِكَ عَلَيْكَ حَقًّا»، لَيْسَ فِي خَبَرٍ إِلَّا فِي هَذَا الْخَبَرِ، وَفِيهِ دَلِيلٌ عَلَى إِبَاحَةِ إِفْطَارِ الْمَرْءِ لِضَيْفٍ يَنْزِلُ بِهِ، وَزَائِرٍ يَزُورُهُتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
رقم طبعة با وزير = (3563) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: قَوْلُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَإِنَّ لِزَوْرِكَ عَلَيْكَ حَقًّا»، لَيْسَ فِي خَبَرٍ إِلَّا فِي هَذَا الْخَبَرِ، وَفِيهِ دَلِيلٌ عَلَى إِبَاحَةِ إِفْطَارِ الْمَرْءِ لِضَيْفٍ يَنْزِلُ بِهِ، وَزَائِرٍ يَزُورُهُتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
আব্দুল্লাহ বিন আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বলেন, “আমাকে কি এটা জানানো হয়নি (অর্থাৎ আমাকে যা জানানো হয়েছে, তা কি সঠিক নয়) যে, তুমি সারাদিন সিয়াম রাখো আর সারা রাত কিয়াম করো?” আমি জবাবে বললাম, “জ্বী, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।” তিনি বলেন, “তুমি এরকম করবে না। তুমি ঘুমাবে আবার কিয়ামও করবে, সিয়াম রাখবে আবার ছেড়েও দিবে। নিশ্চয়ই তোমার উপর তোমার শরীরের হক রয়েছে, তোমার উপর তোমার মেহমানের হক রয়েছে। তোমার উপর তোমার স্ত্রীর হক রয়েছে। আর নিশ্চয়ই তোমাকে ইখতিয়ার দিচ্ছি যে, তুমি প্রত্যেক মাসে তিনটি করে সিয়াম রাখবে। কেননা প্রত্যেক ভালো কাজের প্রতিদান ১০ গুণ হয়ে থাকে। এটাই তোমার সারা বছর সিয়াম রাখা হবে।” আমি বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, নিশ্চয়ই আমার (আরো বেশি সিয়াম রাখার) শক্তি-সামর্থ রয়েছে। তখন তিনি বলেন, “তবে তুমি প্রত্যেক সপ্তাহে তিন দিন সিয়াম পালন করো।” রাবী বলেন, “আমি কঠিন করি, ফলে আমার উপর কঠিন বিধান দেওয়া হয়। আমি বলি, নিশ্চয়ই আমার (আরো বেশি সিয়াম রাখার) শক্তি-সামর্থ রয়েছে।” তখন তিনি বলেন, “তবে তুমি আল্লাহর নাবী দাঊদ আলাইহিস সালামের মত সিয়াম পালন করো; এরচেয়ে বেশি করো না।” আমি বললাম, আল্লাহর নাবী দাঊদ আলাইহিস সালামের সিয়াম কেমন ছিল?” জবাবে তিনি বলেন, “অর্ধ যামানা (অর্থাৎ একদিন পর পর সিয়াম রাখা)।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “তোমার উপর তোমার মেহমানের হক রয়েছে” এই অংশটুকু এই হাদীস ছাড়া অন্য কোন হাদীসে নেই। এখানে এই মর্মে প্রমাণ রয়েছে যে, কোন ব্যক্তির কাছে মেহমান বা কোন মুসাফির আসলে তার জন্য সিয়াম ভঙ্গ করা জায়েয।”
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/১৯৮; সহীহুল বুখারী: ১৯৭৫; সহীহ মুসলিম: ১১৫৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২১১০; তাহাবী: ২/৮৫; আত তায়ালিসী: ২২৫৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৮৬৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩৫৬৩)
[1] মুসনাদ আহমাদ: ২/১৯৮; সহীহুল বুখারী: ১৯৭৫; সহীহ মুসলিম: ১১৫৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২১১০; তাহাবী: ২/৮৫; আত তায়ালিসী: ২২৫৫; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৮৬৩। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩৫৬৩)
সহীহ ইবনু হিব্বান (3571)