35 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ قَالَ: سَأَلْتُ أَبَا سَلَمَةَ: أَيُّ الْقُرْآنِ أُنْزِلَ أَوَّلَ؟ قَالَ: {يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ} [المدثر: 1]، قُلْتُ: أَوِ {اقْرَأْ} [العلق: 1]، [ص:222] فَقَالَ أَبُو سَلَمَةَ: سَأَلْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ: {يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ} [المدثر: 1]، فَقُلْتُ: أَوِ {اقْرَأْ} [العلق: 1]، فَقَالَ: إِنِّي أُحَدِّثُكُمْ مَا حَدَّثَنَا [ص:222] رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " جَاوَرْتُ بِحِرَاءَ شَهْرًا، فَلَمَّا قَضَيْتُ جِوَارِي نَزَلْتُ فَاسْتَبْطَنْتُ الْوَادِيَ، فَنُودِيتُ، فَنَظَرْتُ أَمَامِي، وَخَلْفِي، وَعَنْ يَمِينِي، وَعَنْ شِمَالِي، فَلَمْ أَرَ أَحَدًا، ثُمَّ نُودِيتُ، فَنَظَرْتُ إِلَى السَّمَاءِ، فَإِذَا هُوَ عَلَى الْعَرْشِ فِي الْهَوَاءِ، فَأَخَذَتْنِي رَجْفَةٌ شَدِيدَةٌ، فَأَتَيْتُ خَدِيجَةَ، فَأَمَرْتُهُمْ فَدَثَّرُونِي، ثُمَّ صَبُّوا عَلَيَّ الْمَاءَ، وَأَنْزَلَ اللَّهُ عَلَيَّ {يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ، قُمْ فَأَنْذِرْ، وَرَبَّكَ فَكَبِّرْ، وَثِيَابَكَ فَطَهِّرْ}. [المدثر: 2] [1: 3]تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - وهو مكرر الذي قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري، الأوزاعي: هو عبد الرحمن بن عمرو إمام أهل الشام في عصره.
৩৫. ইয়াহ্ইয়াহ ইবনু কাসীর (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ সালামাহ (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, কুরআনের কোন্ আয়াতটি প্রথম অবতীর্ণ হয়েছিল? তিনি বললেন, يٓاأَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ প্রথম অবতীর্ণ হয়েছিল। আমি বললাম, আমাকে বলা হয়েছে اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِيْ خَلَقَ প্রথম অবতীর্ণ হয়েছিল। এ কথা শুনে আবূ সালামাহ (রহ.) বললেন, কুরআনের কোন্ আয়াতটি প্রথম অবতীর্ণ হয়েছিল, এ সম্পর্কে আমি জাবির (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করার পর তিনি বলেছেন يٓاأيُّهَا الْمُدَّثِّرُ প্রথম অবতীর্ণ হয়েছিল। তখন আমি বললাম, আমাকে বলা হয়েছে যে اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِيْ خَلَقَ প্রথম অবতীর্ণ হয়েছিল। তখন তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন, আমি তোমাকে তা ব্যতীত অন্য কিছু বলছি না।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি হেরা গুহায় একমাস অবস্থান করেছিলাম। সেখানে অবস্থান করা শেষ হলে আমি সেখান থেকে নেমে উপত্যকার মাঝামাঝি পৌঁছলে আমাকে ডাকা হল। আমি তখন সামনে, পেছনে, ডানে ও বামে তাকালাম। তথায় কাউকেই দেখতে পেলাম না। অতঃপর পুনরায় আমাকে ডাকা হল। অতঃপর আমি আমার উর্ধ্বাকাশে তাকিয়ে দেখলাম, সে আসমান ও যমীনের মধ্যস্থলে শুণ্যে ভাসমান একটি আসনে উপবিষ্ট আছে। তখন আমি খুব ভয় পেয়ে গেলাম। এরপর আমি খাদীজা (রাঃ)-এর কাছে এসে নির্দেশ দিলে আমাকে বস্ত্রাচ্ছাদিত করল এবং আমার শরীরে ঠান্ডা পানি ঢেলে দিল। তখন আমার প্রতি অবতীর্ণ করা হলঃ ’’হে বস্ত্রাচ্ছাদিত! সতর্কবাণী প্রচার কর এবং তোমার প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর এবং তোমার পোশাক পবিত্র কর।”[1]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি হেরা গুহায় একমাস অবস্থান করেছিলাম। সেখানে অবস্থান করা শেষ হলে আমি সেখান থেকে নেমে উপত্যকার মাঝামাঝি পৌঁছলে আমাকে ডাকা হল। আমি তখন সামনে, পেছনে, ডানে ও বামে তাকালাম। তথায় কাউকেই দেখতে পেলাম না। অতঃপর পুনরায় আমাকে ডাকা হল। অতঃপর আমি আমার উর্ধ্বাকাশে তাকিয়ে দেখলাম, সে আসমান ও যমীনের মধ্যস্থলে শুণ্যে ভাসমান একটি আসনে উপবিষ্ট আছে। তখন আমি খুব ভয় পেয়ে গেলাম। এরপর আমি খাদীজা (রাঃ)-এর কাছে এসে নির্দেশ দিলে আমাকে বস্ত্রাচ্ছাদিত করল এবং আমার শরীরে ঠান্ডা পানি ঢেলে দিল। তখন আমার প্রতি অবতীর্ণ করা হলঃ ’’হে বস্ত্রাচ্ছাদিত! সতর্কবাণী প্রচার কর এবং তোমার প্রতিপালকের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর এবং তোমার পোশাক পবিত্র কর।”[1]
সহীহ ইবনু হিব্বান (35)