3486 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، [ص:262] قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: مَنْ أَصْبَحَ جُنُبًا فَلَا يَصُومُ، قَالَ: فَانْطَلَقَ أَبُو بَكْرٍ وَأَبُوهُ، حَتَّى دَخَلَا عَلَى أُمِّ سَلَمَةَ، وَعَائِشَةَ، فَكِلَاهُمَا قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصْبِحُ جُنُبًا، ثُمَّ يَصُومُ»، فَانْطَلَقَ أَبُو بَكْرٍ وَأَبُوهُ حَتَّى أَتَيَا مَرْوَانَ، فَحَدَّثَاهُ، فَقَالَ: عَزَمْتُ عَلَيْكُمَا لَمَّا انْطَلَقْتُمَا إِلَى أَبِي هُرَيْرَةَ فَحَدَّثْتُمَاهُ، فَانْطَلَقَا إِلَى أَبِي هُرَيْرَةَ فَحَدَّثَاهُ، فَقَالَ: هُمَا أَعْلَمُ، أَخْبَرَنَا بِهِ الْفَضْلُ بْنُ الْعَبَّاسِ
رقم طبعة با وزير = (3477)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
رقم طبعة با وزير = (3477)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: ق. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط الشيخين
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি জুনুবী অবস্থায় ভোর করবে, সে যেন সিয়াম না রাখে।” অধঃস্তন রাবী বলেন, “এরপর আবূ বকর ও তার বাবা আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা ও উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে আসেন। অতঃপর তারা দুইজনই বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুনুবী অবস্থায় ভোর করেছেন। তারপর তিনি সিয়াম রেখেছেন।” তারপর আবূ বকর ও তার বাবা মারওয়ানের কাছে আসেন এবং তার কাছে হাদীসটি বর্ণনা করেন। তখন তিনি বলেন, “আমি আপনাদের দুইজনকে তাকীদ দিচ্ছি যে, আপনারা আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে যান এবং তার কাছে হাদীসটি বর্ণনা করুন।” অতঃপর তারা আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে যান এবং তার কাছে হাদীসটি বর্ণনা করেন। তখন তিনি বলেন, “আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা ও উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এই ব্যাপারে বেশি অবগত। আমাদেরকে ফযল বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হাদীসটি বর্ণনা করেছিলেন।”[1]
[1] সহীহ মুসলিম: ১১০৯; নাসাঈর বরাতে তুহফাতুল আহওয়াযী: ১২/৩৪১; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৩৯৮; সুনান বাইহাকী: ৪/২১৪-২১৫; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৯০; সহীহুল বুখারী: ১৯২৫; মুশকিলুল আসার: ৫৩৫; শারহু মাআনিল আসার: ২/১০২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩৪৭৭)
[1] সহীহ মুসলিম: ১১০৯; নাসাঈর বরাতে তুহফাতুল আহওয়াযী: ১২/৩৪১; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ৭৩৯৮; সুনান বাইহাকী: ৪/২১৪-২১৫; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/২৯০; সহীহুল বুখারী: ১৯২৫; মুশকিলুল আসার: ৫৩৫; শারহু মাআনিল আসার: ২/১০২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩৪৭৭)
সহীহ ইবনু হিব্বান (3486)