3396 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا حَوْثَرَةُ بْنُ أَشْرَسَ الْعَدَوِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ هَارُونَ بْنِ رِئَابٍ، عَنْ كِنَانَةَ بْنِ نُعَيْمٍ الْعَدَوِيِّ، عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ مُخَارِقٍ الْهِلَالِيِّ، قَالَ: تَحَمَّلْتُ حَمَالَةً، فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَسْأَلُهُ مِنْهَا، فَقَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَقِمْ يَا قَبِيصَةُ حَتَّى تَجِيئَنَا الصَّدَقَةُ فَنَأْمُرَ لَكَ بِهَا»، ثُمَّ قَالَ: «يَا قَبِيصَةُ إِنَّ الْمَسْأَلَةَ لَا تَحِلُّ إِلَّا لِإِحْدَى ثَلَاثٍ: رَجُلٍ تَحَمَّلَ بِحَمَالَةٍ فَحَلَّتْ لَهُ الْمَسْأَلَةُ حَتَّى يُصِيبَهَا ثُمَّ يُمْسِكَ، وَرَجُلٍ أَصَابَتْهُ جَائِحَةٌ فَاجْتَاحَتْ مَالَهُ فَحَلَّتْ لَهُ الْمَسْأَلَةُ حَتَّى يُصِيبَ قِوَامًا مِنْ عَيْشٍ، أَوْ سِدَادًا مِنْ عَيْشٍ، وَرَجُلٍ أَصَابَتْهُ فَاقَةٌ حَتَّى يَقُولَ ثَلَاثَةٌ مِنْ ذَوِي الْحِجَا مِنْ قَوْمِهِ: لَقَدْ أَصَابَتْ فُلَانًا فَاقَةٌ، فَحَلَّتْ لَهُ الْمَسْأَلَةُ حَتَّى يُصِيبَ قِوَامًا مِنْ عَيْشٍ، أَوْ قَالَ: سِدَادًا مِنْ عَيْشٍ، وَمَا سِوَاهُنَّ مِنَ الْمَسْأَلَةِ سُحْتٌ يَأْكُلُهَا صَاحِبُهَا سُحْتًا»
رقم طبعة با وزير = (3387)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: م - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
رقم طبعة با وزير = (3387)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: م - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
কবীসাহ বিন মুখারিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার আমি আমার কওমের এক ব্যক্তির ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব গ্রহণ করি। অতঃপর আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে তাঁর কাছে সাহায্য চাই। তখন তিনি বলেন, “হে কবীসা, দাঁড়াও, আমাদের কাছে সাদাকাহ আসলে সেখান থেকে তোমাকে দেওয়ার নির্দেশ দিবো।” তারপর তিনি বলেন, “হে কবীসা, চাওয়া কেবল তিন শ্রেণির মানুষের জন্য বৈধ। (১) ঐ ব্যক্তি যে অন্যের ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব নেয়। তবে তার জন্য তা পরিশোধ না করা পর্যন্ত মানুষের কাছে সাহায্য চাওয়া বৈধ, (২) ঐ ব্যক্তি যাকে কোন দুর্যোগ পেয়ে বসে অতঃপর তার সম্পদ ধ্বংস হয়ে যায়। তবে তার জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ, যতদিন না তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন এবং (৩) যে ব্যক্তি দারিদ্র হয়ে পড়ে, অতঃপর তার কওমের তিনজন জ্ঞানী লোক তার ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয়, তাহলে তার জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ, যতদিন না সে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। এছাড়া অন্য কোন কারণে ভিক্ষা করা হারাম। এরকম সাহায্যপ্রার্থী হারাম ভক্ষন করে।”[1]
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২০০৮; তাবারানী আল কাবীর: ১৮/৯৪৬; বাগাবী: ১৬২৫; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪৭৭; হুমাইদী: ৮১৯; দারেমী: ১/৩৯৬; সহীহ মুসলিম: ১০৪৪; আবূ দাঊদ: ১৬৪০; নাসাঈ: ৫/৮৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৩৫৯; ইবনুল জারুদ: ৩৬৭; তাহাবী: ২/১৭-১৮; তাবারানী: ২/১১৯-১২০; সুনান বাইহাকী: ৬/৭৩; দারাকুতনী: ২/১১৯। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৮৬৮)
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২০০৮; তাবারানী আল কাবীর: ১৮/৯৪৬; বাগাবী: ১৬২৫; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪৭৭; হুমাইদী: ৮১৯; দারেমী: ১/৩৯৬; সহীহ মুসলিম: ১০৪৪; আবূ দাঊদ: ১৬৪০; নাসাঈ: ৫/৮৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ২৩৫৯; ইবনুল জারুদ: ৩৬৭; তাহাবী: ২/১৭-১৮; তাবারানী: ২/১১৯-১২০; সুনান বাইহাকী: ৬/৭৩; দারাকুতনী: ২/১১৯। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (ইরওয়াউল গালীল: ৮৬৮)
সহীহ ইবনু হিব্বান (3396)