3360 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عُمَيْرٍ، مَوْلَى آبِي اللَّحْمِ، قَالَ: كُنْتُ مَمْلُوكًا، فَكُنْتُ أَتَصَدَّقُ بِلَحْمٍ مِنْ لَحْمِ مَوْلَايَ، فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «تَصَدَّقْ وَالْأَجْرُ بَيْنَكُمَا نِصْفَانِ»
رقم طبعة با وزير = (3349) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: أُضْمِرَ فِي هَذَا الْخَبَرِ: تَصَدَّقْ بِإِذْنِهِ، فَذِكْرُ الْإِذْنِ فِيهِ مُضْمَرٌ، وَعُمَيْرٌ مَوْلَى آبِي اللَّحْمِ إِنَّمَا قِيلَ: آبِي اللَّحْمِ، لِأَنَّهُ فِي الْجَاهِلِيَّةِ حَرَّمَ عَلَى نَفْسِهِ اللَّحْمَ وَأَبَى أَنْ يَأْكُلَ، فَقِيلَ: آبِي اللَّحْمِ، [ص:148] وَمُحَمَّدُ بْنُ زَيْدٍ هَذَا هُوَ مُحَمَّدُ بْنُ زَيْدِ بْنِ الْمُهَاجِرِ بْنِ قُنْفُذٍ الْجُدْعَانِيُّ الْقُرَشِيُّ، سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ، وَمُعَاوِيَةَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ، رَوَى عَنْهُ مَالِكٌ وَأَهْلُ الْمَدِينَةِتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: م (3/ 91). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
رقم طبعة با وزير = (3349) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: أُضْمِرَ فِي هَذَا الْخَبَرِ: تَصَدَّقْ بِإِذْنِهِ، فَذِكْرُ الْإِذْنِ فِيهِ مُضْمَرٌ، وَعُمَيْرٌ مَوْلَى آبِي اللَّحْمِ إِنَّمَا قِيلَ: آبِي اللَّحْمِ، لِأَنَّهُ فِي الْجَاهِلِيَّةِ حَرَّمَ عَلَى نَفْسِهِ اللَّحْمَ وَأَبَى أَنْ يَأْكُلَ، فَقِيلَ: آبِي اللَّحْمِ، [ص:148] وَمُحَمَّدُ بْنُ زَيْدٍ هَذَا هُوَ مُحَمَّدُ بْنُ زَيْدِ بْنِ الْمُهَاجِرِ بْنِ قُنْفُذٍ الْجُدْعَانِيُّ الْقُرَشِيُّ، سَمِعَ ابْنَ عُمَرَ، وَمُعَاوِيَةَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ، رَوَى عَنْهُ مَالِكٌ وَأَهْلُ الْمَدِينَةِتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: م (3/ 91). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
আবুল লাহমের আজাদকৃত দাস উমাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি কৃতদাস ছিলাম। অতঃপর আমি আমার মুনিবের গোসত থেকে কিছু গোসত সাদাকাহ করতাম। তারপর একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বলেন, “তুমি সাদাকাহ করতে থাকো আর সাওয়াব তোমাদের উভয়ের মাঝে আধা আধি হবে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসে একটি কথা উহ্য রয়েছে। সেটা হলো তুমি তোমার মুনিবের অনুমতি নিয়ে সাদাকাহ করবে। কাজেই অনুমতি নেওয়ার কথা এখানে উহ্য রয়েছে। আর উমাইর হলেন আবিল লাহমের আজাদকৃত দাস। তাকে আবিল লাহম বলার কারণ হলো তিনি জাহেলী যুগে নিজের উপর গোসত খাওয়া হারাম করে নিয়েছিলেন। তিনি গোসত খেতে অস্বীকৃতি জানাতেন। এজন তাকে আবিল লাহম বা গোসত ক্ষেত্রে অস্বীকারকারী বলা হয়। আর মুহাম্মাদ বিন যাইদের নাম হলো মুহাম্মাদ বিন যাইদ আল মুহাজির বিন কুনফুয আল জুদ‘আনী আল কুরাশী। তিনি আব্দুল্লাহ বিন উমার, মুয়াবিয়া বিন আবী সুফিয়ান থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন। তার কাছ থেকে ইমাম মালিক ও মদীনাবাসী হাদীস বর্ণনা করেছেন।”
[1] সহীহ মুসলিম: ১০২৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/১৬৪; ইবনু মাজাহ: ২২৯৭; সুনান বাইহাকী: ৪/১৯৪; নাসাঈ: ৫/৬৩-৬৪; সুনান বাইহাকী: ৪/১৯৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩৩৪৯)
[1] সহীহ মুসলিম: ১০২৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ৩/১৬৪; ইবনু মাজাহ: ২২৯৭; সুনান বাইহাকী: ৪/১৯৪; নাসাঈ: ৫/৬৩-৬৪; সুনান বাইহাকী: ৪/১৯৪। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩৩৪৯)
সহীহ ইবনু হিব্বান (3360)