3273 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُشْكَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَرْقَاءُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَعْرَجُ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ عَلَى الصَّدَقَةِ، فَمَنَعَ ابْنُ جَمِيلٍ، وَخَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ، وَالْعَبَّاسُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا يَنْقِمُ ابْنُ جَمِيلٍ إِلَّا أَنْ كَانَ فَقِيرًا فَأَغْنَاهُ اللَّهُ، وَأَمَّا خَالِدٌ فَإِنَّكُمْ تَظْلِمُونَ خَالِدًا لَقَدِ احْتَبَسَ أَدْرَاعَهُ وَأَعْتَادَهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَأَمَّا الْعَبَّاسُ فَعَمُّ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَهُوَ عَلَيَّ وَمِثْلُهَا»، ثُمَّ قَالَ: «أَمَا شَعَرْتَ أَنَّ عَمَّ الرَّجُلِ صِنْوُ الرَّجُلِ أَوْ صِنْوُ أَبِيهِ»
رقم طبعة با وزير = (3262) [ص:68] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: قَوْلُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَأَمَّا خَالِدٌ فَإِنَّكُمْ تَظْلِمُونَ خَالِدًا قَدِ احْتَبَسَ أَدْرَاعَهُ وَأَعْتَادَهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ»، يُرِيدُ إِنَّكُمْ تَظْلِمُونَهُ أَنَّهُ حَبَسَ مَالَهُ مِنَ الْأَدْرَاعِ وَالْأَعْتَادِ حَتَّى لَمْ يَبْقَ لَهُ مَالٌ تَجِبُ عَلَيْهِ الصَّدَقَةُ، وَقَوْلُهُ فِي شَأْنِ الْعَبَّاسِ: «هُوَ عَلَيَّ وَمِثْلُهَا» يُرِيدُ أَنَّ صَدَقَتَهُ عَلَيَّ أَنِّي ضَامِنٌ عَنْهُ، وَمِثْلُهَا مَعَهَا مِنْ صَدَقَةٍ ثَانِيَةٍ مِنَ الْعَامِ الْمُقْبِلِ، [ص:69] وَقَدْ رَوَى شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ هَذَا الْخَبَرَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، وَقَالَ فِي شَأْنِ الْعَبَّاسِ: «فَهِيَ عَلَيْهِ صَدَقَةٌ وَمِثْلُهَا مَعَهَا»، وَيُشْبِهُ أَنْ يَكُونَ مَعْنَاهُ: فَهِيَ لَهُ صَدَقَةٌ، لِأَنَّ الْعَرَبَ فِي لُغَتِهَا تَقُولُ: «عَلَيْهِ» بِمَعْنَى لَهُ، قَالَ اللَّهُ: {أُولَئِكَ لَهُمُ اللَّعْنَةُ وَلَهُمْ سُوءُ الدَّارِ} [الرعد: 25] يُرِيدُ: عَلَيْهِمُ اللَّعْنَةُ، وَالْعَبَّاسُ لَمْ يَحِلَّ لَهُ أَخَذُ الصَّدَقَةِ مِنْ وَجْهَيْنِ، أَحَدُهُمَا: أَنَّهُ كَانَ غَنِيًّا لَا يَحِلُّ لَهُ أَخَذُ الصَّدَقَةِ الْفَرِيضَةِ، وَالْأُخْرَى: أَنَّهُ كَانَ مِنْ صِبَيَةِ بَنِي هَاشِمٍ، فَكَيْفَ يَتْرُكُ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَدَقَتَهُ عَلَيْهِ، وَهُوَ لَا يَحِلُّ لَهُ أَخَذُهَا، وَيَمْنَعُهَا مِنْ أَهْلِهَا مِنَ الْفُقَرَاءِ؟، وَقَدْ رَوَى مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ هَذَا الْخَبَرَ، وَقَالَ فِي شَأْنِ الْعَبَّاسِ: «فَهِيَ لَهُ وَمِثْلُهَا مَعَهَا» يُرِيدُ: فَهِيَ لَهُ عَلَيَّ، كَمَا قَالَ وَرْقَاءُ بْنُ عُمَرَ فِي خَبَرِهِتحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «صحيح أبي داود» (1435): م تمامه خ دون قوله «أما شعرت ... »، وقال: «فهي عليه صدقة، ومثلها معها»، وهو الأرجح. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমার বিন খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে যাকাত উসূল করার জন্য পাঠান। অতঃপর ইবনু জামিল, খালিদ বিন ওয়ালিদ ও আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জানান। অতঃপর রাসূল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ইবনু জামীলকে কিসে যাকাত দিতে বাধা দিলো, অথচ সে দরিদ্র ছিল অতঃপর আল্লাহ তাকে সম্পদশালী করে দিয়েছেন? খালিদের ব্যাপারে তোমরা অন্যায় করেছো, সে তো তার বর্ম ও অস্ত্র-সস্ত্র-বাহন আল্লাহর রাস্তায় ওয়াকফ করে দিয়েছে। আর আব্বাস, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচা। কাজেই সেটা এবং তার অনুরুপ যাকাত আমার দায়িত্ব।” তারপর তিনি বলেন, “আপনি কি জানেন না যে, নিশ্চয়ই কোন ব্যক্তির চাচা, তার বাবার সমতুল্য?”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বক্তব্য “খালিদের ব্যাপারে তোমরা অন্যায় করেছো, সে তো তার বর্ম ও অস্ত্র-সস্ত্র-বাহন সব কিছু আল্লাহর রাস্তায় ওয়াকফ করে দিয়েছে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তোমরা তার উপরে অন্যায় করেছো, এমনকি তার কাছে যাকাতযোগ্য কোন সম্পদ নেই। আর আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বক্তব্য, “সেটা এবং তার অনুরুপ যাকাত আমার দায়িত্ব” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তার সাদাকার দায়িত্ব আমার উপর, আমি তার পক্ষ থেকে জামিনদার এবং তার অনুরুপ আগামী আরো এক বছরের যাকাত আমার দায়িত্ব। শু‘আইব বিন আবূ হামযা এই হাদীসটি আবুয যিনাদ থেকে বর্ণনা করেছেন, সেখানে তিনি আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর ব্যাপারে বলেছেন, “সেটা তার জন্য সাদাকাহ এবং অনুরুপ আরো এক যাকাত। এখানে হতে পারে তার অর্থ হলো এটা তার জন্য সাদাকাহ। কেননা আরবরা তাদের ভাষায় لَهُ অর্থে عَلَيْهِ ব্যবহার করেন। মহান আল্লাহ বলেছেন, “তাদের উপর লা‘নত এবং তাদের জন্য রয়েছে মন্দ বাসস্থান।” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তাদের উপর লা‘নত। আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর জন্য তো সাদাকাহ গ্রহণ করা দুই দিক থেকে জায়েয নেই। প্রথম কারণ হলো তিনি ধনী ছিলেন, কাজেই তার জন্য যাকাত গ্রহণ করা জায়েয নেই্ দ্বিতীয়ত: তিনি বানু হাশিম গোত্রের ছিলেন, যাদের জন্য যাকাত গ্রহণ করা বৈধ হবে না। কাজেই কিভাবে আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার যাকাত নিজের উপর রেখে ‍দিলেন অথচ ফরয যাকাত গ্রহণ করা তার জন্য বৈধ নয় এবং তিনি দরিদ্র মুসলিমদের তা দিলেন না? মুসা বিন উকবাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, আবুয যিনাদ থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, “কাজেই সেটা এবং তার অনুরুপ যাকাত আমার দায়িত্ব।” অর্থাৎ সেটা তার জন্য আমার দায়িত্ব তা পরিশোধ করা। যেমনটা ওয়ারাকা বিন উমার স্বীয় হাদীসে বর্ণনা করেছেন।”







[1]আবূ দাঊদ: ১৬২৩; সুনান বাইহাকী: ৬/১৬৪-১৬৫; দারাকুতনী: ২/১২৩; সহীহ মুসলিম: ৯৮৩; সহীহুল বুখারী: ১৪৬৮; নাসাঈ: ৫/৩৩; বাগাবী: ১৫৭৮। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪৩৫)

সহীহ ইবনু হিব্বান (3273)