3259 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ هِشَامٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْأَسَدِيُّ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي الْعَلَاءِ، عَنِ الْأَحْنَفِ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ: قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ فَبَيْنَا أَنَا فِي حَلْقَةٍ وَفِيهَا مَلَأٌ مِنْ قُرَيْشٍ إِذْ جَاءَ رَجُلٌ، أَخْشَنُ الثِّيَابِ، أَخْشَنُ الْجَسَدِ، أَخْشَنُ الْوَجْهِ، فَقَامَ عَلَيْهِمْ، فَقَالَ: «بَشِّرِ الْكَنَّازِينَ بِرَضْفٍ يُحْمَى عَلَيْهِمْ فِي نَارِ جَهَنَّمَ، فَيُوضَعُ عَلَى حَلَمَةِ ثَدْيِ أَحَدِهِمْ حَتَّى يَخْرُجَ مِنْ نُغْضِ كَتِفِهِ، وَيُوضَعَ عَلَى نُغْضِ كَتِفِهِ حَتَّى يَخْرُجَ مِنْ حَلَمَةَ ثَدْيهِ، فَوَضَعُوا رُءُوسَهُمْ، فَمَا رَأَيْتُ أَحَدًا مِنْهُمْ رَجَعَ إِلَيْهِ شَيْئًا، قَالَ: وَأَدْبَرَ، فَاتَّبَعْتُهُ حَتَّى جَلَسَ إِلَى سَارِيَةٍ، فَقُلْتُ: مَا رَأَيْتُ هَؤُلَاءِ إِلَّا كَرِهُوا مَا قُلْتَ لَهُمْ، قَالَ: إِنَّ هَؤُلَاءِ لَا يَعْقِلُونَ، إِنَّ خَلِيلِي أَبَا الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَعَانِي، فَقَالَ: » يَا أَبَا ذَرٍّ «: فَأَجَبْتُهُ، قَالَ: » أَتَرَى أُحُدًا «، قَالَ: فَنَظَرْتُ مَا عَلَيَّ مِنَ الشَّمْسِ وَأَنَا أَظُنُّهُ يَبْعَثُنِي لِحَاجَةٍ لَهُ، فَقَالَ: » مَا يَسُرُّنِي أَنَّ لِي مِثْلَهُ ذَهَبًا أُنْفِقُهُ كُلَّهُ غَيْرَ ثَلَاثَةِ دَنَانِيرَ، ثُمَّ هَؤُلَاءِ يَجْمَعُونَ الدُّنْيَا لَا يَعْقِلُونَ شَيْئًا «، قَالَ: قُلْتُ: مَا لَكَ وَلِإِخْوَانِكَ قُرَيْشٍ؟ قَالَ: لَا وَرَبِّكَ لَا أَسْأَلُهُمْ دُنْيَا وَلَا أَسْتَفْتِيهِمْ فِي دِينِي حَتَّى أَلْحَقَ بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
رقم طبعة با وزير = (3248)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (1028). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط البخاري
আহনাফ বিন কাইস (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার আমি মাদীনায় আগমন করি। আমি একটি হালাকায় ছিলাম, সেখানে কুরাইশ বংশের একদল নেতৃস্থানীয় লোক ছিলেন। এমন সময় একজন ব্যক্তি আগমন করেন, যার কাপড়, চেহারা ও দেহ খশখশে ছিল। তিনি তাদের কাছে এসে দাঁড়ান অতঃপর বলেন, “(যাকাত আদায় না করে) সম্পদ জমাকারীদের তপ্ত পাথরের সুসংবাদ দিন, তাদের জন্য জাহান্নামে আগুনে সেটাকে তাপ দেওয়া হবে। অতঃপর সেটা তাদের বুকের স্তনের বোটার উপর রাখা হবে, অতঃপর সেটা কাঁধের হাড় দিয়ে বের হবে। তারপর সেটাকে কাঁধের হাড়ের উপর রাখা হবে, অতঃপর তা স্তনের বোটা দিয়ে বের হবে।” এই হাদীস শ্রবণ করে তারা তাদের মাথা নিচু করেন। আমি তাদের একজনকেও কোন প্রতিউত্তর করতে দেখলাম না।” রাবী বলেন, “তারপর তিনি পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে চলে যান। আমি তার অনুসরণ করি। তিনি একটি খুঁটির কাছে গিয়ে বসেন। তখন আমি বললাম, “আমার তো মনে হয়, আপনি তাদেরকে যা বলেছেন, সেটা তারা অপছন্দই করেছে!” তিনি বলেন, “এরা বুঝতে পারছে না। নিশ্চয়ই আমার বন্ধু আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার আমাকে ডাক দিয়ে বলেন, “হে আবূ যার।” আমি তাঁর ডাকে সাড়া দেই। তিনি বলেন, “তুমি কি উহুদ পাহাড় দেখতে পাচ্ছো?” অতঃপর আমি আমার ‍উপর প্রখর সূর্যতাপ লক্ষ্য করলাম আর আমি মনে করলাম, তিনি আমাকে তার কোন প্রয়োজনে পাঠাবেন। অতঃপর তিনি বলেন, “আমি মোটেও খুশি হবো না যে, আমার উহুদ পাহাড় সমপরিমাণ স্বর্ণ হোক। এরকম হলে আমি তার তিনটি দীনার (স্বর্ণমুদ্রা) ছাড়া বাকি সমস্ত স্বর্ণ দান করে দিবো।” আবূ যার গিফারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তারপর এই লোকগুলো দুনিয়া জমা করছে, তারা ‍কিছুই বুঝতে পারছে না।” রাবী বলেন, “আমি বললাম, আপনার সাথে আপনার কুরাইশ ভাইদের কী হয়েছে?” জবাবে তিনি বলেন, “না, কিছুই না। তোমার প্রভুর কসম, আমি তাদের কাছে দুনিয়া চাই না, আর আমার দ্বীনের বিষয়েও তাদেরকে কোন কিছু জিজ্ঞেস করতে চাই না, এভাবেই আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে মিলিত হবো।”[1]







[1] মুসনাদ আহমাদ: ৫/১৬০; সহীহ মুসলিম : ৯৯২; সহীহুল বুখারী: ১৪০৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারীর শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহাহ: ১০২৮)

সহীহ ইবনু হিব্বান (3259)