3226 - أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ وَرْدَانَ، بِالْفُسْطَاطِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، يَقُولُ: قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَخَطَبَ النَّاسَ، فَقَالَ: «لَا وَاللَّهِ مَا أَخْشَى عَلَيْكُمْ أَيُّهَا النَّاسُ إِلَّا مَا يُخْرِجُ اللَّهُ لَكُمْ مِنْ زُهْرَةِ الدُّنْيَا»، فَقَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيَأْتِي الْخَيْرُ بِالشَّرِّ؟، فَصَمَتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَاعَةً، ثُمَّ قَالَ: «كَيْفَ [ص:22] قُلْتَ»؟، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَهَلْ يَأْتِي الْخَيْرُ بِالشَّرِّ؟، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ الْخَيْرَ لَا يَأْتِي إِلَّا بِخَيْرٍ، وَلَكِنْ هُوَ أَنَّ كُلَّ مَا يُنْبِتُ الرَّبِيعُ يَقْتُلُ حَبَطًا، أَوْ يُلِمُّ إِلَّا آكِلَةَ الْخَضِرِ أَكَلَتْ حَتَّى إِذَا امْتَلَأَتْ خَاصِرَتَاهَا اسْتَقْبَلْتِ الشَّمْسَ، فَثَلَطَتْ، وَبَالَتْ ثُمَّ اجْتَرَّتْ فَعَادَتْ فَأَكَلَتْ، فَمَنْ أَخَذَ مَالًا بِحَقِّهِ يُبَارَكُ لَهُ، وَمَنْ أَخَذَ مَالًا بِغَيْرِ حَقِّهِ فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ الَّذِي يَأْكُلُ وَلَا يَشْبَعُ»
رقم طبعة با وزير = (3216)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার দাঁড়িয়ে লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষনে বলেন, “না, আল্লাহর কসম, হে লোকসকল, আল্লাহ দুনিয়ার যে সৌন্দর্য-চাকচিক্য বের করে দিবেন, আমি তোমাদের ব্যাপারে কেবল সেসব জিনিসের ব্যাপারেই আশংকা করি।” তখন এক ব্যক্তি বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, কোন কল্যাণ কি অকল্যাণকে বয়ে আনতে পারে?” অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছুক্ষন চুপ থাকেন। তারপর তিনি বলেন, “তুমি কিভাবে বললে?” সে ব্যক্তি বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, কোন কল্যাণ কি অকল্যাণকে বয়ে আনতে পারে?” তারপর তিনি বলেন, “নিশ্চয়ই কল্যাণ কোন অকল্যাণকে বয়ে আনে না। কিন্তু নদীর তীরে যে উদ্ভিদ উৎপন্ন হয়, তা তৃণভোজী প্রাণীকে মেরে ফেলে অথবা মেরে ফেলার উপক্রম করে। তবে ঐ তৃণভোজী প্রাণী ছাড়া, যে ঘাস খায়, অতঃপর যখন তার দুই পার্শ্বদেশ পরিপূর্ণ হয়ে যায়, তখন সে রৌদ্রে যায় অতঃপর মলমুত্র ত্যাগ করে। তারপর সেটি আবার ফিরে এসে ঘাস খায়। যে ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গতভাবে সম্পদ গ্রহণ করে, তার জন্য তাতে বারাকাহ দেওয়া হয় আর যে ব্যক্তি মাল অন্যায়ভাবে গ্রহণ করে, তার দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে খায় কিন্তু পরিতৃপ্ত হয় না।”[1]







[1] মুসনাদ আবী ইয়ালা: ১২৪২; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৯১; নাসাঈ: ৫/৯০; সহীহ মুসলিম: ১০৫২; সহীহুল বুখারী: ৯২১; আত তায়ালিসী: ২১৮০; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ২০০২৮; বাগাবী: ৪০৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩২১৫)

সহীহ ইবনু হিব্বান (3226)