315 - أَخْبَرَنَا بَكْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سَعِيدٍ الْعَابِدُ الطَّاحِيُّ بِالْبَصْرَةِ، حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الطَّاعِمُ الشَّاكِرُ بِمَنْزِلَةِ الصَّائِمِ الصَّابِرِ» [ص:18] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: شُكْرُ الطَّاعِمِ الَّذِي يَقُومُ بِإِزَاءِ أَجْرِ الصَّائِمِ الصَّابِرِ: هُوَ أَنْ يَطْعَمَ الْمُسْلِمُ، ثُمَّ لَا يَعْصِي بَارِيَهُ، يُقَوِّيهِ، وَيُتِمُّ شُكْرَهُ بِإتْيَانِ طَاعَاتِهِ بِجَوَارِحِهِ، لِأَنَّ الصَّائِمَ قُرِنَ بِهِ الصَّبْرُ لِصَبْرِهِ عَنِ الْمَحْظُورَاتِ، وَكَذَلِكَ قُرِنَ بِالطَّاعِمِ الشُّكْرُ، فَيَجِبُ أَنْ يَكُونَ [ص:19] هَذَا الشُّكْرُ الَّذِي يَقُومُ بِإِزَاءِ ذَلِكَ الصَّبْرِ يُقَارِبُهُ أَوْ يُشَاكِلُهُ، وَهُوَ تَرْكُ الْمَحْظُورَاتِ عَلَى مَا ذَكَرْنَاهُ. [1: 2]تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «الصحيحة» (655). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات لكنه منقطع ... ويتحصل أن الحديث صحيح بطرقه وشاهده.
৩১৫. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “খাদ্য গ্রহণকারী, শুকরগুজার ব্যক্তি ধৈর্যশীল, সিয়াম পালনকারী ব্যক্তির পর্যায়ভূক্ত।” . আবু হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন: “খাদ্য গ্রহণকারী ব্যক্তির শুকরিয়া হলো কোন মুসলিম ব্যক্তি খাদ্য গ্রহণ করে তারপর পাপে লিপ্ত হয় না তারপর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে সৎ আমল করে তার শুকরিয়ার পূর্ণতা দান করে- এই ব্যক্তিকে ধৈর্যশীল সিয়াম পালনকারীর বরাবর গণ্য করা হয়েছে। কারণ সিয়াম পালনকারী ব্যক্তির সাথে ধৈর্য যুক্ত হয় কেননা তিনি ধৈর্য মাধ্যমে নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকে, অনুরুপভাবে খাদ্য গ্রহণকারী ব্যক্তির সাথেও শুকরিয়া যুক্ত হয়েছে। কাজেই এই শুকরিয়া যা ঐ ধৈর্যের মোকাবিলায় এসেছে, সেটি ঐ ধৈর্যের কাছাকাছি বা তার সমপর্যায়ভুক্ত হবে, যে ধৈর্যের কথা আমরা উল্লেখ করলাম, সেটি হলো নিষিদ্ধ কাজ ছেড়ে দেওয়া।”[1]
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ১৯৫৭৩; মুসনাদ আহমাদ: ২/২৮৩; সুনান বাইহাকী: ৪/৩০৬; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ২৮৩২; তিরমিযী: ২৪৮৭; হাকিম: ৪/১৩৬; ইবনু মাজাহ: ১৭৬৫; দারেমী: ২/৯৫; মুসনাদুশ শিহাব: ২৬৪; আবু নু‘আইম, হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৭/১৪২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আস সহীহাহ: ৬৫৫।)
[1] মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক: ১৯৫৭৩; মুসনাদ আহমাদ: ২/২৮৩; সুনান বাইহাকী: ৪/৩০৬; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ২৮৩২; তিরমিযী: ২৪৮৭; হাকিম: ৪/১৩৬; ইবনু মাজাহ: ১৭৬৫; দারেমী: ২/৯৫; মুসনাদুশ শিহাব: ২৬৪; আবু নু‘আইম, হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৭/১৪২। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আস সহীহাহ: ৬৫৫।)
সহীহ ইবনু হিব্বান (315)