3122 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ أَبَا السَّمْحِ، حَدَّثَهُ، عَنِ ابْنِ حُجَيْرَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ الْمُؤْمِنَ فِي قَبْرِهِ لَفِي رَوْضَةٍ خَضْرَاءَ، وَيُرْحَبُ لَهُ قَبْرُهُ سَبْعُونَ ذِرَاعًا، وَيُنَوَّرُ لَهُ كَالْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ أَتَدْرُونَ فِيمَا أُنْزِلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ: {فَإِنَّ لَهُ مَعِيشَةً ضَنْكًا وَنَحْشُرُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمَى} [طه: 124] أَتَدْرُونَ مَا الْمَعِيشَةُ الضَّنْكَةُ؟ » [ص:393] قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ قَالَ: «عَذَابُ الْكَافِرِ فِي قَبْرِهِ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، إِنَّهُ يُسَلَّطَ عَلَيْهِ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ تِنِّينًا، أَتَدْرُونَ مَا التِّنِّينُ؟ سَبْعُونَ حَيَّةً، لِكُلِّ حَيَّةٍ سَبْعُ رُءُوسٍ يِلْسَعُونَهُ، وَيَخْدِشُونَهُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ»
رقم طبعة با وزير = (3112)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: حسن - «التعليق الرغيب» (4/ 182). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয়ই মুমিন ব্যক্তি কবরে সবুজ বাগানে থাকবে। তার কবরকে ৭০ গজ প্রশস্ত করা হবে এবং সেটাকে পুর্ণিমার রাতের চাঁদের ন্যায় আলোকিত করা হবে। তোমরা কি জানো আল্লাহর বাণী, “তবে নিশ্চয়ই তার জন্য রয়েছে সংকীর্ণ জীবন এবং আমরা তাকে কিয়ামতের দিন অন্ধ করে উঠাবো।”–সূরা ত্বহা: ১২৪। কোন বিষয়ে এটি অবতীর্ণ হয়েছে?” তোমরা কি জানো ‘সংকীর্ণ জীবন’ কী?” সাহাবীগণ জবাব দিলেন, “আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামই ভালো জানেন।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “এটা হলো কবরে কাফির ব্যক্তির কবরের আযাব। ঐ সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ, নিশ্চয়ই তার উপর ৯৯ টি বিশালাকার সাপ চাপিয়ে দেওয়া হবে? তোমরা কি জানো বিশালাকার সাপ কি? এটা হলো ৭০ টি সাপ। প্রত্যেকটি সাপের সাতটি করে মাথা রয়েছে, যা তাকে কিয়ামত পর্যন্ত দংশন করবে এবং তাকে আঁচড় মারবে।”[1]







[1] তাফসীরে তাবারী: ১৬/২২৮; ইমাম বাইহাকী, ইসবাতু আযাবিল কবর: ৬৮; বাযযার: ২২৩৩; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ: ৭/৬৭। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ৪/১৮৩)

সহীহ ইবনু হিব্বান (3122)