3040 - أَخْبَرَنَا حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شُعَيْبٍ الْبَلْخِيُّ، بِبَغْدَادَ، حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ أَبِي مُزَاحِمٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ: «أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاتِّبَاعِ الْجَنَائِزِ، وَعِيَادَةِ الْمَرْضَى، وَتَشْمِيتِ الْعَاطِسِ، وَإِبْرَارِ الْمُقْسِمِ، وَنُصْرَةِ الْمَظْلُومِ، وَإِفْشَاءِ السَّلَامِ، وَإِجَابَةِ الدَّاعِي».
رقم طبعة با وزير = (3029) [ص:313] قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: «الْأَمْرُ بِاتِّبَاعِ الْجَنَائِزِ، وَعِيَادَةِ الْمَرْضَى، أَمْرٌ لِطَلَبِ الثَّوَابِ دُونَ أَنْ يَكُونَ حَتْمًا، وَالْأَمْرُ بِتَشْمِيتِ الْعَاطِسِ، وَإِبْرَارِ الْمُقْسِمِ، لَفْظٌ عَامٌ مُرَادُهُمَا الْخُصُوصُ، وَذَلِكَ أَنَّ الْعَاطِسَ لَا يَجِبُ أَنْ يُشَمَّتَ إِلَّا إِذَا حَمِدَ اللَّهَ، وَإِبْرَارُ الْمُقْسِمِ فِي بَعْضِ الْأَحْوَالِ دُونَ الْكُلِّ، وَالْأَمْرُ بِنُصْرَةِ الْمَظْلُومِ، وَإِجَابَةِ الدَّاعِي أَمْرَا حَتْمٍ فِي الْوَقْتِ دُونَ الْوَقْتِ، وَالْأَمْرِ بِإِفْشَاءِ السَّلَامِ أَمْرٌ بِلَفْظِ الْعُمُومِ، وَالْمُرَادُ مِنْهُ اسْتِعْمَالُهُ مَعَ الْمُسْلِمِينَ دُونَ غَيْرِهِمْ»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح: خ. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
বারা বিন আযিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে জানাযার অনুসরণ, রোগীকে দেখতে যাওয়া, হাঁচি দানকারীর জবাব দেওয়া, শপথকারীর শপথ পূর্ণ করতে সাহায্য করা, মাযলূমকে সাহায্য করা, সালামের ব্যাপক প্রচলন ঘটানো ও আহবানকারীর আহবানে সাড়া দেওয়ার জন্য নির্দেশ করেছেন।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “জানাযার অনুসরণ করা ও রোগীকে দেখতে যাওয়ার নির্দেশটি হলো সাওয়াব অনুসন্ধান করার জন্য নির্দেশ; এটি আবশ্যকতা নির্দেশক নয়। হাঁচি দানকারীর জবাব দেওয়া ও শপথকারী শপথ পূর্ণ করতে সহযোগিতা করার শব্দটি ব্যাপক অর্থবোধক কিন্তু উদ্দেশ্য খাছ বা বিশিষ্টার্থক। এটা এভাবে যে, হাঁচি দানকারীর জবাব দেওয়া কেবল তখনই ওয়াজিব হয়, যখন সে আলহামদু লিল্লাহ বলবে। শপথকারীর শপথ পূর্ণ করার বিষয়টি কিছু অবস্থায় প্রযোজ্য; সর্বক্ষেত্রে নয়। আহবানকারীর আহবানে সাড়া, মাযলূমকে সাহায্য করার নির্দেশটি কখন বাধ্যতামূলক আবার কোন সময় বাধ্যতামূলক হয় না। সালাম ব্যাপকভাবে প্রচলিত করার নির্দেশ ব্যাপক অর্থবোধক হলেও এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো মুসলিমদের সাথে সালাম আদান-প্রদান করা; অন্যদের সাথে নয়।”







[1] সহীহুল বুখারী: ৫১৭৫; আদাবুল মুফরাদ: ৯২৪; নাসাঈ: ৪/৫৪; মুসনাদ আহমাদ: ৪/২৮৪; আত তায়ালিসী: ৭৪৬; সহীহ মুসলিম: ২০৬৯; তিরমিযী: ২৮০৯; তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৪৮২; সুনান বাইহাকী: ৬/৯৪। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ৩০২৯)

সহীহ ইবনু হিব্বান (3040)