2982 - أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ مُوسَى بْنِ مُجَاشِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ حُمَيْدِ بْنِ كَاسِبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَابْنُ أَبِي حَازِمٍ، يَزِيدُ أَحَدُهُمَا عَنْ صَاحِبِهِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَدِمَ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلَانِ مِنْ بَلِيٍّ، فَكَانَ إِسْلَامُهُمَا جَمِيعًا وَاحِدًا، وَكَانَ أَحَدُهُمَا أَشَدَّ اجْتِهَادًا مِنَ الْآخَرِ، فَغَزَا الْمُجْتَهِدُ فَاسْتُشْهِدَ، وَعَاشَ الْآخَرُ سَنَةً حَتَّى صَامَ رَمَضَانَ، ثُمَّ مَاتَ، فَرَأَى طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ خَارِجًا خَرَجَ مِنَ الْجَنَّةِ، فَأَذِنَ لِلَّذِي تُوُفِّيَ آخِرَهُمَا، ثُمَّ خَرَجَ فَأَذِنَ لِلَّذِي اسْتُشْهِدَ، ثُمَّ رَجَعَ إِلَى طَلْحَةَ، فَقَالَ: ارْجِعْ فَإِنَّهُ لَمْ يَأْنِ لَكَ، [ص:249] فَأَصْبَحَ طَلْحَةُ يُحَدِّثُ بِهِ النَّاسَ، فَبَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَحَدَّثُوهُ الْحَدِيثَ، وَعَجِبُوا، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ كَانَ أَشَدَّ الرَّجُلَيْنِ اجْتِهَادًا، وَاسْتُشْهِدَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَدَخَلَ هَذَا الْجَنَّةَ قَبْلَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَلَيْسَ قَدْ مَكَثَ هَذَا بَعْدَهُ بِسَنَةٍ؟ » قَالُوا: نَعَمْ. قَالَ: «وَأَدْرَكَ رَمَضَانَ فَصَامَهُ، وَصَلَّى كَذَا وَكَذَا فِي الْمَسْجِدِ فِي السَنَةِ؟ » قَالُوا: بَلَى، قَالَ: «فَلَمَّا بَيْنَهُمَا أَبْعَدُ مِمَّا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ».
رقم طبعة با وزير = (2971) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «مَاتَ أَبُو سَلَمَةَ سَنَةَ أَرْبَعٍ [ص:251] وَتِسْعِينَ، وَقُتِلَ طَلْحَةُ سَنَةَ سِتٍّ وَثَلَاثِينَ يَوْمَ الْجَمَلِ»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «التعليق الرغيب» (1/ 142).تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: Null
رقم طبعة با وزير = (2971) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «مَاتَ أَبُو سَلَمَةَ سَنَةَ أَرْبَعٍ [ص:251] وَتِسْعِينَ، وَقُتِلَ طَلْحَةُ سَنَةَ سِتٍّ وَثَلَاثِينَ يَوْمَ الْجَمَلِ»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «التعليق الرغيب» (1/ 142).تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: Null
তালহা বিন উবাইদুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “বুলাই এলাকার দুইজন লোক রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে আগমন করে। তারা দুইজন এক সাথে ইসলাম গ্রহণ করেন। তাদের দুইজনের মধ্যে একজনের তুলনামুলক বেশি মোজাহাদা ছিল। অধিক মোজাহাদার অধিকারী সাহাবী জিহাদে অংশ গ্রহণ করে শহীদ হয়ে যান। অপরজন আরো এক বছর জীবিত থাকেন। এমনকি তিনি পরের রমযান মাস পান। তারপর তিনি মারা যান। অতপর তালহা বিন উবাইদুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু স্বপ্নে দেখেন এক ব্যক্তি জান্নাত থেকে বের হয়েছেন, তিনি দুই ব্যক্তির মধ্যে যিনি পরে মারা গিয়েছেন, তাকে জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দেন। তারপর তিনি আবার বের হন এবং যিনি শাহাদাত বরণ করেছেন, তাকে জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দেন। তারপর তিনি তালহা বিন উবাইদুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে ফিরে আসেন এবং বলেন, “আপনি ফিরে যান। কেননা জান্নাতে প্রবেশের সময় আপনার এখনোও আসেনি।” তারপর তালহা বিন উবাইদুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সকালে লোকদের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। বিষয়টি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে পৌঁছে। লোকজন বিষয়টি নিয়ে তাঁর সাথে আলোচনা করেন এবং তারা বিস্ময়বোধ করেন। তারা বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, এই দুই ব্যক্তির মাঝে যিনি অধিক মোজাহাদার অধিকারী ছিলেন এবং আল্লাহর রাস্তায় শাহাদাত বরণ করেছেন, তারপরেও তিনি পরে জান্নাতে প্রবেশ করেছেন!” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “এই ব্যক্তি কি তার পরে এক বছর পৃথিবীতে অবস্থান করেননি?” তারা জবাব দিলেন, “জ্বী, হ্যাঁ।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “এই ব্যক্তি কি রমযানের সিয়াম পাননি এবং এক বছরে মাসজিদে এই এই সালাত আদায় করেনি?” তারা জবাব দিলেন, “জ্বী, হ্যাঁ।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “এখনও পর্যন্ত তাদের মাঝে আসমান-জমিনের মাঝের ব্যবধানের চেয়েও বেশি ব্যবধান রয়েছে।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আবূ সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ৯৪ হিজরীতে মারা যান আর তালহা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ৩৬ হিজরীতে উষ্ট্রীর যুদ্ধের দিনে শাহাদাত বরণ করেন।”
[1] মুসনাদ আহমাদ: ১/১৬৩; ইবনু মাজাহ: ৩৯২৫; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৭১-৩৭২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৩১০; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৭৪। হাদীসটির ব্যাপারে শায়খ শু‘আইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ কোন মন্তব্য করেননি। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ১/১৪২)
[1] মুসনাদ আহমাদ: ১/১৬৩; ইবনু মাজাহ: ৩৯২৫; সুনান বাইহাকী: ৩/৩৭১-৩৭২; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ৩১০; মুয়াত্তা ইমাম মালিক: ১/১৭৪। হাদীসটির ব্যাপারে শায়খ শু‘আইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ কোন মন্তব্য করেননি। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। (আত তা‘লীকুর রাগীব: ১/১৪২)
সহীহ ইবনু হিব্বান (2982)