2977 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى زَحْمَوَيْهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ حَاطِبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي *، عَنْ جَدِّهِ مُحَمَّدِ بْنِ حَاطِبٍ، عَنْ أُمِّهِ أُمِّ جَمِيلٍ بِنْتِ الْمُجَلِّلِ قَالَتْ: أَقْبَلْتُ بِكَ مِنْ أَرْضِ الْحَبَشَةِ، حَتَّى إِذَا كُنْتَ مِنَ الْمَدِينَةِ، عَلَى لَيْلَةٍ أَوْ لَيْلَتَيْنِ طَبَخْتُ لَكَ طَبْخَةً فَفَنِيَ الْحَطَبُ، فَخَرَجْتُ أَطْلُبُهُ، فَتَنَاوَلْتَ الْقَدْرَ، فَانْكَفَأَتْ عَلَى ذِرَاعِكَ، فَأَتَيْتُ بِكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاطِبٍ، وَهُوَ أَوْلَ مَنْ سُمِّيَ بِكَ قَالَتْ: فَتَفَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فِي فِيكَ، وَمَسَحَ عَلَى رَأْسِكَ وَدَعَا لَكَ وَقَالَ: «أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ، وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي [ص:243] لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا» قَالَتْ: فَمَا قُمْتُ بِكَ مِنْ عِنْدَهُ إِلَّا وَقَدْ بَرِئَتْ يَدُكَ
رقم طبعة با وزير = (2966)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: منكر. * [حَدَّثَنِي أَبِي] قال الشيخ: قال الذهبي في «المغني»: «لا يُحتجُّ به، له مناكير». وابنه (عبد الرحمن)؛ ضعفة أبو حاتم الرازيّ. ومن طريقه: أحمد (3/ 118). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن في الشواهد
رقم طبعة با وزير = (2966)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: منكر. * [حَدَّثَنِي أَبِي] قال الشيخ: قال الذهبي في «المغني»: «لا يُحتجُّ به، له مناكير». وابنه (عبد الرحمن)؛ ضعفة أبو حاتم الرازيّ. ومن طريقه: أحمد (3/ 118). تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده حسن في الشواهد
উম্মু জামিল বিনতু মুজাল্লিল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি (তার ছেলে মুহাম্মাদ বিন হাতিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে) বলেন, “আমি তোমাকে নিয়ে হাবশা (ইথিওপিয়া) থেকে আগমন করি। অতঃপর যখন আমরা মদীনার এক বা দুই রাতের দূরত্বে আসি, তখন আমি তোমার জন্য খাবার রান্না করি। অতঃপর কাঠ ফুরিয়ে যায়। ফলে আমি কাঠ খোঁজার জন্য বের হই। তখন তুমি হাড়ি হাত দিয়ে ধর, ফলে সেটা তোমার হাতের উপর কাত হয়ে পড়ে যায়। অতঃপর আমি তোমাকে নিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বলি, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, “এ হলো মুহাম্মাদ বিন হাতিব। এই হচ্ছে প্রথম ব্যক্তি, যাকে আপনার নামে নাম রাখা হয়েছে।” তারপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমার চেহারায় স্বীয় লালা লাগিয়ে দেন, তোমার মাথায় হাত বুলিয়ে দেন এবং বলেন, أَذْهِبِ الْبَاسَ ـ رَبَّ النَّاسِ! ـ وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ ـ شفاءٌ لا يغادر شقماً (কষ্ট দূর করুন, হে মানুষের প্রভু, এবং আরোগ্য দান করুন। আপনি আরোগ্য দানকারী। আপনার নিরাময় আর কোন নিরাময় নেই। আপনি এমন নিরাময় দান করুন, যা কোন অসুস্থতাকে বাকী রাখবে না)।” তারপর তোমাকে নিয়ে তাঁর কাছ থেকে উঠতে না উঠতেই তোমার হাত ভাল হয়ে যায়।”[1]
[1] তাবারানী: ২৪/৯০২; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪১৮; হাকিম: ৪/৬২; হাইসামী, মাজমা‘উয যাওয়াইদ: ৫/১১৩। শায়খ শু‘আইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুনকার বা দুর্বল বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ২৯৬৬)
[1] তাবারানী: ২৪/৯০২; মুসনাদ আহমাদ: ৩/৪১৮; হাকিম: ৪/৬২; হাইসামী, মাজমা‘উয যাওয়াইদ: ৫/১১৩। শায়খ শু‘আইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুনকার বা দুর্বল বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ২৯৬৬)
সহীহ ইবনু হিব্বান (2977)