2883 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَاتَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، مُحَارِبَ خَصَفَةَ بِنَخْلٍ، فَرَأَوْا مِنَ الْمُسْلِمِينَ غِرَّةً، فَجَاءَ رَجُلٌ مِنْهُمْ، يُقَالُ لَهُ: عَوْفُ بْنُ الْحَارِثِ - أَوْ غَوْرَثُ بْنُ الْحَارِثِ - حَتَّى قَامَ عَلَى رَأْسِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، بِالسَّيْفِ، فَقَالَ: مَنْ يَمْنَعُكَ مِنِّي؟ قَالَ: «اللَّهُ»، قَالَ: فَسَقَطَ السَّيْفُ مِنْ يَدِهِ، فَأَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ السَّيْفَ، فَقَالَ لَهُ: «مَنْ يَمْنَعُكَ مِنِّي»، قَالَ: كُنَّ خَيْرًا مِنِّي، قَالَ: «تَشَهَّدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ؟ » قَالَ: لَا، وَلَكِنْ أُعَاهِدُكَ عَلَى أَنْ لَا أُقَاتِلَكَ وَلَا أَكُونَ مَعَ قَوْمٍ يُقَاتِلُونَكَ، قَالَ: فَخَلَّى سَبِيلَهُ، فَجَاءَ إِلَى أَصْحَابِهِ، فَقَالَ: جِئْتُكُمْ مِنْ عِنْدِ خَيْرِ النَّاسِ، فَلَمَّا كَانَ عِنْدَ الظُّهْرِ أَوِ الْعَصْرِ - شَكَّ أَبُو عَوَانَةَ - أَمَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، بِصَلَاةِ الْخَوْفِ قَالَ: فَكَانَ النَّاسُ طَائِفَتَيْنِ: طَائِفَةً بِإِزَاءِ الْعَدُوِّ، وَطَائِفَةً يُصَلُّونَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَصَلَّى بِالطَّائِفَةِ الَّذِينَ مَعَهُ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ انْصَرَفُوا، فَكَانُوا مَكَانَ أُولَئِكَ، وَجَاءَ أُولَئِكَ فَصَلَّوْا [ص:139] مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، رَكْعَتَيْنِ، فَكَانَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَرْبَعُ رَكَعَاتٍ وَلِلْقَوْمِ رَكْعَتَانِ
رقم طبعة با وزير = (2872)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - المصدر نفسه. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات إلا أنه منقطع
رقم طبعة با وزير = (2872)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - المصدر نفسه. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: رجاله ثقات إلا أنه منقطع
জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নাখলের মুহারিবে খাসাফায় যুদ্ধ করেন। শত্রুরা মুসলিমদের উপর গুপ্ত হামলা করার পরিকল্পনা করে। অতঃপর তাদের মাঝে এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে আসে। তার নাম আওফ বিন হারিস অথবা গাওরাস বিন হারিস। সে তরবারী নিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাথার কাছে এসে দাঁড়ায়। অতঃপর বলে, “আমার থেকে আপনাকে কে রক্ষা করবে?” তিনি জবাব দিলেন, “আল্লাহ (আমাকে তোমার থেকে রক্ষা করবেন)।” রাবী বলেন, “তারপর তার হাত থেকে তরবারী পড়ে যায়। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তরবারীটি হাতে নিয়ে বলেন, “আমার থেকে তোমাকে কে রক্ষা করবে?” সে বললো, “আপনি আমার চেয়ে উত্তম ব্যক্তি হন।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তুমি কি সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই?” সে বলে, “না।” কিন্তু আমি আপনার কাছে অঙ্গিকার করছি যে, আমি আপনার সাথে যুদ্ধ করবো না। এবং আমি সেসব লোকদের সাথেও থাকবো না, যারা আপনার সাথে যুদ্ধ করে।” রাবী বলেন, “অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার পথ ছেড়ে দেন। তারপর সে তার সঙ্গীদের কাছে এসে বলে, “আমি একজন উত্তম মানুষের কাছ থেকে আসলাম। তারপর যখন যোহর কিংবা আসরের সালাতের সময় হয় –আবূ আওয়ানা এরকম সন্দেহের ভিত্তিতে হাদীস বর্ণনা করেছেন-, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভীতিকালীন সালাত আদায় করার নির্দেশ দেন। রাবী বলেন, “অতঃপর সাহাবীগণ দুই দলে ভাগ হন; একদল শত্রুর মুখোমুখী অবস্থান নেন, আরেক দল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সালাত আদায় করেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাথের সাহাবীদের নিয়ে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর তারা চলে যান। অতঃপর তারা ঐ দলের জায়াগায় যান (যারা শত্রুর মুখোমুখী ছিলেন)। আর ঐ দলের সাহাবীগণ আসেন এবং তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। ফলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চার রাকা‘আত আর তাঁর সাহাবীদের দুই রাকা‘আত সালাত হয়।”[1]
[1] তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৩১৭; তাফসীরে তাবারী: ১০৩২৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাউদ: ১১৬৪)
[1] তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ১/৩১৭; তাফসীরে তাবারী: ১০৩২৫। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাউদ: ১১৬৪)
সহীহ ইবনু হিব্বান (2883)