2876 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَيَّاشٍ الزُّرَقِيُّ، قَالَ: «كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، بِعُسْفَانَ وَعَلَى الْمُشْرِكِينَ خَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ قَالَ: فَصَلَّيْنَا الظُّهْرَ، فَقَالَ الْمُشْرِكُونَ: لَقَدْ كَانُوا عَلَى حَالٍ لَوْ أَرَدْنَا لَأَصَبْنَاهُمْ غِرَّةً - أَوْ لَأَصَبْنَاهُمْ غَفْلَةً - قَالَ: فَأُنْزِلَتْ آيَةُ الْقَصْرِ، بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ، فَأَخَذَ النَّاسُ السِّلَاحَ، وَصَفُّوا خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، صَفَّيْنِ مُسْتَقْبِلِي الْعَدُوِّ، وَالْمُشْرِكُونَ مُسْتَقْبِلَوهُمْ، فَكَبَّرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَكَبَّرُوا جَمِيعًا، وَرَكَعَ وَرَكَعُوا جَمِيعًا، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ وَرَفَعُوا جَمِيعًا، ثُمَّ سَجَدَ وَسَجَدَ الصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ، وَقَامَ الْأَخَرُ يَحْرُسُونَهُمْ، فَلَمَّا فَرَغَ هَؤُلَاءِ مِنْ سُجُودِهِمْ سَجَدَ هَؤُلَاءِ، ثُمَّ نَكَصَ الصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ، وَتَقَدَّمَ الْآخَرُونَ فَقَامُوا مَقَامَهُمْ، فَرَكَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرَكَعُوا جَمِيعًا، ثُمَّ رَفَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَرَفَعُوا جَمِيعًا، ثُمَّ سَجَدَ وَسَجَدَ الصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ، وَقَامَ الْآخَرُونَ [ص:129] يَحْرُسُونَهُمْ فَلَمَّا فَرَغَ هَؤُلَاءِ مِنْ سُجُودِهِمْ سَجَدَ الْآخَرُونَ، ثُمَّ اسْتَوُوا مَعَهُ فَقَعَدُوا جَمِيعًا، ثُمَّ سَلَّمَ عَلَيْهِمْ جَمِيعًا صَلَّاهَا بِعُسْفَانَ، وَصَلَّاهَا يَوْمَ بَنِي سُلَيْمٍ»
رقم طبعة با وزير = (2865)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - انظر ما قبله. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين
আবূ আইয়্যাশ আয যুরাকী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে উসফান নামক জায়গায় ছিলাম। আর মুশরিকদের সেনাপতি ছিল খালিদ বিন ওয়ালিদ। রাবী বলেন, “আমরা যোহরের সালাত আদায় করি। তখন মুশরিকরা বলে, “তারা এমন এক অবস্থায় ছিলো, যদি আমরা ইচ্ছা করতাম, তবে আমরা অতর্কিত হামলা করতে পারতাম -অথবা আমরা তাদের অপ্রস্তুত অবস্থায় তাদের উপর আক্রমন করতে পারতাম-।” তখন যোহর ও আসরের সালাত কসর করার ব্যাপারে আয়াত নাযিল হয়। তারপর লোকজন অস্ত্র ধারণ করেন এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে শত্রুর মুখোমুখী হয়ে কাতার বন্দি হন। মুশরিকরাও তাদের মুখোমুখী হয়ে ছিল। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীর দিলে, তারা সবাই তাকবীর দেন। তিনি রুকূ‘ করলে, তারা সবাই রুকূ‘ করেন। তিনি সাজদা করলে, নিকটবর্তী কাতারের সাহাবীগণও সাজদা করেন। আর দ্বিতীয় কাতারের সাহাবীগণ দাঁড়িয়ে তাদের পাহারা দেন। তারপর এরা সাজদা সম্পন্ন করলে, ওরাও সাজদা সম্পন্ন করেন। তারপর নিকটবর্তী কাতারের লোকজন পিছনে যান আর পিছনের সাহাবীগন সামনে এসে তাদের জায়গায় দাঁড়ান। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকূ‘ করলে, তারা সবাই রুকূ‘ করেন। তিনি সাজদা করলে, নিকটবর্তী কাতারের সাহাবীগণও সাজদা করেন। আর দ্বিতীয় কাতারের সাহাবীগণ দাঁড়িয়ে তাদের পাহারা দেন। তারপর এরা সাজদা সম্পন্ন করলে, ওরাও সাজদা সম্পন্ন করেন। তারপর তারা তাঁর বরাবর হন, তারা সবাই তাঁর সাথে বৈঠকে বসেন। অতঃপর তিনি তাদের সবাইকে নিয়ে সালাম ফেরান। তিনি উসফান নামক জায়গায় বানূ সুলাইমের দিন এই সালাত আদায় করেন।”[1]







[1] মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ: ২/৪৬৩; মুসনাদ আহমাদ: ৪/৫৯-৬০; তাহাবী: ১/৩১৮; দারাকুতনী: ২/৫৯-৬০; তুহফাতুল আশরাফ: ৩/২৫১। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১১২১)

সহীহ ইবনু হিব্বান (2876)