2836 - أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا بُرَيْدٌ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ: كَسَفَتِ الشَّمْسُ زَمَنَ [ص:78] رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَامَ فَزِعًا، خَشِينَا أَنْ تَكُونَ السَّاعَةُ، حَتَّى أَتَى الْمَسْجِدَ، فَقَامَ فَصَلَّى بِأَطْوَلِ قِيَامٍ، وَرُكُوعٍ، وَسُجُودٍ مَا رَأَيْتُهُ يَفْعَلُ فِي صَلَاةٍ قَطُّ، ثُمَّ قَالَ: «إِنَّ هَذِهِ الْآيَاتِ الَّتِي يُرْسِلُ اللَّهُ لَا تَكُونُ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلَا لِحَيَاتِهِ، وَلَكِنَّ اللَّهَ يُرْسِلُهَا يُخَوِّفُ بِهَا عِبَادَهُ، فَإِذَا رَأَيْتُمْ مِنْهَا شَيْئًا، فَافْزَعُوا إِلَى ذِكْرِهِ، وَدُعَائِهِ، وَاسْتِغْفَارِهِ»
رقم طبعة با وزير = (2825)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «جزء الكسوف»: م. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين
رقم طبعة با وزير = (2825)تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح - «جزء الكسوف»: م. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناد صحيح على شرط الشيخين
আবূ মূসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময়ে সূর্য গ্রহণ লাগে। অতঃপর তিনি ভীত-সন্ত্রস্ত্র হয়ে দাঁড়ান, এমনকি আমরা আশংকা করলাম যে, হয়তো কিয়ামত সংঘটিত হয়ে যাবে। অতঃপর তিনি মাসজিদে আসেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে এতো দীর্ঘতর কিয়াম, রুকূ‘ ও সাজদার মাধ্যমে সালাত আদায় করেন, এরকম আর কোন সালাতে তাঁকে এরকম করতে দেখিনি। তারপর তিনি বলেন, “এসব নিদর্শনগুলি আল্লাহ পাঠান, যা কারো বেঁচে থাকা অথবা মৃত্যুবরণ করার কারণে হয় না। বরং আল্লাহই তা পাঠান তাঁর বান্দাদেরকে সতর্ক করার জন্য। যখন তোমরা এর কোন কিছু দেখবে, তখন তোমরা দ্রুত যিকর, দু‘আ ও ইস্তিগফারের দিকে ধাবিত হও।”[1]
[1] সহীহুল বুখারী: ১০৫৯; সহীহ মুসলিম: ৯১২; নাসাঈ: ৩/১৫৩-১৫৪; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৩৭১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (জুযউল কুসূফ)
[1] সহীহুল বুখারী: ১০৫৯; সহীহ মুসলিম: ৯১২; নাসাঈ: ৩/১৫৩-১৫৪; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ: ১৩৭১। হাদীসটিকে শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (জুযউল কুসূফ)
সহীহ ইবনু হিব্বান (2836)