2733 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: حَدَّثَتْنِي عَمْرَةُ بِنْتُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ عَائِشَةَ أُخْبِرَتْ، أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَرْأَةَ أَنْ تُسَافِرَ إِلَّا وَمَعَهَا ذُو مَحْرَمٍ» قَالَتْ عَمْرَةُ: فَالْتَفَتَتْ عَائِشَةُ إِلَى بَعْضِ النِّسَاءِ فَقَالَتْ: «مَا لِكُلِّكُمْ ذُو مَحْرَمٍ»
رقم طبعة با وزير = (2722) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: «لَمْ تَكُنْ عَائِشَةُ بِالْمُتَّهِمَةِ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ فِي الرِّوَايَةِ، لِأَنَّ أَصْحَابَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كُلُّهُمْ عُدُولٌ ثِقَاتٌ، وَإِنَّمَا أَرَادَتْ عَائِشَةُ بِقَوْلِ: مَا لِكُلِّكُمْ ذُو مَحْرَمٍ، تُرِيدُ أَنْ لَيْسَ لِكُلِّكُمْ ذُو [ص:443] مَحْرَمٍ تُسَافِرُ مَعَهُ، فَاتَّقُوا اللَّهَ وَلَا تُسَافِرْ وَاحِدَةٌ مِنْكُنَّ إِلَّا بِذِي مَحْرَمٍ يَكُونُ مَعَهَا»تحقيق الشيخ ناصر الدين الألباني: صحيح. تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: إسناده صحيح على شرط مسلم
আমরাহ বিনতু আব্দুর রহমান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জানানো হয় যে, আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীদেরকে মাহরাম ছাড়া সফর করতে নিষেধ করেছেন।” আমরাহ বিনতু আব্দুর রহমান বলেন, “তখন আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা কোন এক নারীর দিকে তাকিয়ে বলেন, “তোমাদের সবার তো মাহরাম নেই।”[1] আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এই হাদীস বর্ণনায় আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে অভিযু্ক্ত করেননি। কেননা আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমস্ত সাহাবী ন্যায়-নিষ্ঠ, নির্ভরযোগ্য। “তোমাদের সবার তো মাহরাম নেই”- এই বক্তব্যের মাধ্যমে আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার উদ্দেশ্য হলো, তোমাদের সবার তো মাহরাম নেই, যার সাথে সফর করা যাবে। অতএব তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। তোমাদের কেউ যেন মাহরাম ছাড়া সফর না করে।”







[1] তাহাবী, শারহু মা‘আনিল আসার: ২/১১৫; সুনান বাইহাকী: ৫/২২৬। শায়খ শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (আত তা‘লীকাতুল হিসান: ২৭২২)

সহীহ ইবনু হিব্বান (2733)